বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৫ নভেম্বর

full_498408416_1434524033জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বাদী পক্ষের ৪ সাক্ষীকে জেরা করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এছাড়া নতুন করে আরো এক জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার এ দিনের কার্যক্রম। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় চার সাক্ষীকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। এরপর আদালত ১৮ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করেন।

জেরা সম্পন্ন হওয়া চার সাক্ষী হচ্ছেন- সোনালী ব্যাংক ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট শাখার ক্যাশ অফিসার ওয়ালিদ আহমেদ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মো. মামুনুজ্জামান, মেট্রো মেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের সাবেক সিনিয়র অফিসার সাইফুল আলম ও মেট্রো মেকার্স কর্মকর্তা চৌধুরী এম এন আলম।

অপরদিকে সাক্ষ্য দিয়েছেন, সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা মেজবাউল হক।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন- অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লা মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, জাকির হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

দুদকের পক্ষে ছিলেন, মোশাররফ হোসেন কাজল।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অন্যদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আসামি মোট ছয়জন। খালেদা ছাড়া অন্য পাঁচজন হচ্ছেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।

অন্যদিকে, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।

দুই মামলারই বাদী হলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ খান।

আরও পড়ুন