২০১১ সাল পর্যন্ত যে দেশে পুরুষ সঙ্গীকে ছাড়া মহিলারা রাস্তায় বেরোতে পারতেন না, সেখানেই বোধহয় এ উদাহরণ মেলে। যে দেশে একসময় পর্যন্ত মহিলাদের ভোটাধিকার মিলত না, সেখানেই বোধহয় এ ঘটনা ঘটে। যে দেশে আজও মহিলাদের গাড়ি চালানোর লাইসেন্স দেওয়া হয় না, সে দেশেই বোধহয় এ কথা বলা সম্ভব। আর তাই বললেন গ্রাণ্ড মুফতি শেখ আবদুল আজ়িজ় বিন আবদুল্লাহ। “চরম খিদে পেলে, প্রয়োজনে নিজের স্ত্রীকে খেতে পারে পুরুষ।” মুফতির এই ফতোয়াকে ঘিরেই বিতর্ক সৌদি আরবজুড়ে।
মুফতির অফিস থেকে সম্প্রতি একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, “মুফতির জারি করা নতুন ফতোয়া অনুযায়ী, চরম ক্ষুধার মুহূর্তে স্ত্রী’র শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ খেতে পারেন স্বামী।” এই ফতোয়া প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচনার মুখে পড়েছেন মুফতি আবদুল্লাহ। যদিও বিতর্কের মুখে পড়েও পিছু হটছেন না তিনি। বরং তাঁর দাবি, “এভাবেই স্বামীর প্রতি আনুগত্যের পরিচয় দিতে পারেন এক নারী। দুই থেকে এক হতে পারেন স্বামী স্ত্রী।”
প্রসঙ্গত, এর আগেও কয়েকবার বিতর্কিত মন্তব্য করে শিরোনামে এসেছেন গ্রান্ড মুফতি আবদুল্লাহ।
ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


