বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

‘টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে’

AMA-Muhitঅষ্টম বেতন কাঠামোতে (পে-স্কেল) সরকারি চাকরিজীবীদের টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে- জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত।

বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকের মন্ত্রী এ কথা জানান।

এর আগে প্রকৃচি (প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসক) কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটি, বিসিএস সমন্বয় কমিটিসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “ পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী বাতিল করেছিলাম। এখন সবার সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করব।”

মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, “আমি রিজিড না, সবকিছুই আলোচনা করে সমাধান করার সুযোগ আছে।” অর্থমন্ত্রী বলেন, সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিভিন্ন ক্যাডারে পদ সংখ্যার সমন্বয় না থাকায় সমস্যাগুলো দীর্ঘায়িত হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “একটা ক্যাডারে প্রথম ৭ গ্রেডে ২২ হাজার পোস্ট আছে, এটা ফেয়ার না।”

গত ৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়। কাঠামোতে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল না রেখে মূল বেতনের শতকতা হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার কথা বলা হয় ।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত অষ্টম বেতন কাঠামোতে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করার পর সরকারি কর্মচারীরা তা বহাল রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন।

জানা যায়, বৃহসস্পতিবার সচিবালয়ের বৈঠকে মুহিতকে প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল পুনর্বহাল ও উপজেলা পরিষদ সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা অফিস স্মারক সংশোধনের দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে আরও বলা হয়, যে সব অধিদফতর বা সংস্থায় এরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার তালিকা করে মনোনীত পদের নিম্নের পদগুলোরও ধারাবাহিক মনোনয়ন আদেশ জারি ও তার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করা অতীব জরুরি। একটি স্বাধীন দেশের সিভিল সার্ভিসের বেতন কাঠামোতে নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি করা অত্যন্ত দুঃখজনক।

প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জাতীয় বেতন স্কেলে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল পুনর্বহাল, উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা অফিস স্মারকের সংশোধন এবং চাকরির ক্ষেত্রে বিরাজমান বৈষম্য নিরসনের দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- প্রকৃচি কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটির সচিব প্রকৌশলী মো. আব্দুস সবুর, সচিব কৃষিবিদ মো. মোবারক আলী, সচিব প্রফেসর ডা. এম ইকবাল আর্সলান ও মো. ফিরোজ খান, সদস্য সচিব প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি।

এর আগে গত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে তিনি এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেন বলে বৈঠক সূত্র ওই দিন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

 

আরও পড়ুন