ঢাকায় একের পর এক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অপরাধ বিজ্ঞানীরা। বলছেন- দায়িত্ব পালনে অসতর্কতা, যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব আর দুর্বল গোয়েন্দা নজরদারির কারণেই হামলার শিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ না দেয়াকেও দুষলেন তারা।
রাষ্ট্র এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব সময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। বিভিন্ন সময়ে তাদের ওপর হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং অপরাধ বিজ্ঞানীরা তুলে ধরেন পুলিশের কিছু অভ্যন্তরীণ দুর্বলতাকে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রি. জে (অব.) শাহেদুল আনাম বলেন, ‘তাদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি রয়েছে, এগুলোর প্রতি সরকারকে দৃষ্টি দিতে হবে। না হলে দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তা ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কা আছে। পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও নজরদারি প্রয়োজন।’
অপরাধ বিজ্ঞানী জিয়া রহমান বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দরকার। যা আছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই স্বল্প। এছাড়া, বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষকেরও অভাব রয়েছে। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম সেল নেই, ডিবি চুরি-ছিনতাই-রাহাজানিসহ বড় বড় অপরাধ করছে।’
অন্যদিকে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদার মতে, অযোগ্য জনবলের কাছ থেকে দক্ষ সেবা পাওয়া সম্ভব নয়। ফলে তাদের নিজ নিরাপত্তা হুমকির মুখে। তাই কর্তব্য পালনে আরও সচেতন হবারও পরামর্শ দেন সাবেক এই কর্মকর্তা। এসব বিষয় তদারকিতে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।


