সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও প্রত্যাশানুযায়ী প্রসার ঘটছে না নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ড ব্যবসার। অথচ যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ খাতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব; তেমনি অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। তাই কম সুদে ব্যাংক ঋণের পাশাপাশি সরকারী জায়গা বরাদ্দের দাবি করছেন এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
নৌ-বন্দর থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সুপরিচিত ছিলো নারায়ণগঞ্জ। আর একে কেন্দ্র করেই ষাটের দশকে শহরের শীতলক্ষ্যার তীরে গড়ে ওঠে বেশ কিছু ডকইয়ার্ড। কালক্রমে বাড়তে থাকে ব্যবসার প্রসার।
বর্তমানে ৮ শ’ থেকে ২২ শ’ টনের জাহাজ মেরামত ও নির্মাণ করা হচ্ছে এখানকার ডকইয়ার্ডগুলোতে। যেখানে ৮ মাস থেকে প্রায় ১ বছর সময় লাগে মাঝারি আকারের একটি জাহাজ তৈরিতে। আর মেরামত করতে একটি জাহাজকে ডকে রাখতে হয় ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত। তবে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হলেও অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই কাজ করতে হয় এখানকার শ্রমিকদের।
আধুনিকায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ডকইয়ার্ডে উন্নীত করতে পারলে ও বিদেশি বিভিন্ন কাজ পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন এখানকার ডক ব্যবসায়ীরা। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও রাস্তাঘাট উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন ব্যবসায়ীরা।
ছোট-বড় মিলিয়ে ৮০টির বেশি ডকইয়ার্ড রয়েছে নারায়ণগঞ্জে। যেখানে অভ্যন্তরীণ সব ধরনের নৌযানেরই মেরামত কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক অনুদান পেলে গার্মেন্টস শিল্পের পরেই এ খাতের অবস্থান হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


