“আমরা আইনজীবী, আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেছি। মামলা পরিচালানার পর আইনি লাড়াইয়ে হেরে গেছি। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইবেন কিনা, সেটা একান্তই তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা যদি প্রাণ ভিক্ষা নাও চান, রাষ্ট্রপতি তাদের মওকুফ করতে পারেন। রায় কার্যকর সরকারের ওপর নির্ভর করে।”
বুধবার দুপুরে রিভিউ আপিল খারিজের পর এক প্রতিক্রিয়া সাংবাদিকদের এসব কথা বলেছেন একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।
তিনি বলেন, রিভিউ খারিজের আপিল বিভাগের রায় এখন ট্রাইবুনালে যাবে। সেখানে প্রক্রিয়া শেষে রায় যাবে কারাগারে। এরপর দণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আসামি না চাইলেও রাষ্ট্রপতি দণ্ড মওফুক করতে পারেন- এ বক্তব্যের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, যখন কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন, তখন রাষ্ট্রপতি সেই আবেদনের বিষয়ের ওপর সিদ্ধান্ত দেন। আবেদন ছাড়া স্বঃপ্রনোদিত হয়ে দণ্ড মওকুফের কোনো সুযোগ নেই।’


