ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ হওয়ায় যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দণ্ড কার্যকরে সরকার আর কালক্ষেপণ করবে না। দ্রুত তাদের ফাঁসি কার্যকর করবে। আশা প্রকাশ করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বুধবার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাকা চৌধুরীর ফাঁসির রায় রিভিউ আবেদন খারিজের পর শাহবাগে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।
রিভিউ খারিজের ফলে মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরীর দণ্ড কার্যকরে আর আইনি বাধা নেই। নিয়ম অনুযায়ী তারা এখন কেবল নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। এ বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে সরকার দণ্ড কার্যকর করবে।
ডা. ইমরান বলেন, “এই রায়ের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছে। আপিল বিভাগ ও রিভিউতে রায় প্রকাশ বিলম্বিত হওয়ায়, দেশের মানুষের মধ্যে একটা হতাশা ছিল। রিভিউ নিষ্পত্তি হওয়ায় সে হতাশা কেটে গেল।”
রায়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে একে সরকার ও বিচার বিভাগের তৎপরতার নজির হিসেবে উল্লেখ করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র। বলেন, “রায় কার্যকরে আর কোনো আইনগত বাধা নেই। আমরা প্রত্যাশা করছি, যেহেতু পরোয়ানা জারি হয়ে আছে, তাই যত শিগগিরই সম্ভব দণ্ড কার্যকর করা হবে।”
শীর্ষ এই দুই যুদ্ধাপরাধীর রিভিউ আবেদনের রায়কে কেন্দ্র করে এর আগে বেলা ১১টার দিকে শাহবাগে জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেন গণজাগরণ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এসময় যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় বহাল রাখার দাবিতে স্লোগান দেন তারা। রিভিউ খারিজের খবরে মঞ্চের নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ঘুরে পুনরায় শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।


