জামায়াতে ডাকা হরতালের বিরুদ্ধে রাজধানীর রামপুরায় মিছিল বের করে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগের পক্ষটি বলছে, যুবলীগ পরিচয়ে বহিরাগতরা তাদের মিছিলে গুলি চালায়। এতে তাদের এক নেতা আহত হয়েছেন। যুবলীগ পরিচয় দানকারী পক্ষের দাবি, তাদের হরতালবিরোধী মিছিলে রামপুরার এক ছাত্রলীগ নেতার গুলিতে আহত হয়েছেন দুইজন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, রামপুরা থেকে পাঁচ জন সামান্য আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তারা হলেন- নিপু, আরিফ, সৈয়দ জহির উদ্দিন, জাহাঙ্গীর ও সৈয়দ।
রামপুরা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন তপু বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তারা রামপুরায় একটি হরতালবিরোধী মিছিল বের করেন। এসময় নিজেদের যুবলীগ পরিচয় দিয়ে বহিরাগত রইস ও শিবলু রামপুরা এলাকায় মিছিল বের করে। সেই মিছিল থেকে আমাদের ওপর হামলা হয়। এক পর্যায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সেলিমের পায়ে গুলি লাগে। পরে আত্মরক্ষার্থে তারা পাল্টা হামলা চালালে সংঘর্ষ বাধে বলে দাবি করেন তপু।
এতে সাইমন ও বাবুল নামে দুই ছাত্রলীগকর্মী আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও রইসের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়, বলেন তপু।
জাহাঙ্গীর ও সৈয়দ নিজেদের যুবলীগকর্মী পরিচয় দিয়ে বলেন, রামপুরার ছাত্রলীগ নেতা তপু তাদের হরতালবিরোধী মিছিলে গুলি চালিয়েছে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাকা চৌধুরীর রিভিউ আবেদন খারিজ করে ফাঁসির দণ্ড বহাল রাখে। এরপরই হরতাল ডাকে জামায়াত।


