মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল রাত পৌনে দশটার দিকে এই তথ্য জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে এই দুই জনের ফাঁসি কার্যকরে আর কোনো বাধা থাকলো না। এদিকে রাত সাড়ে আটটার দিকে তাদের পরিবারের সদস্যদের ‘শেষ দেখা’ করতে কারাগারে ডেকে পাঠানো হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা কারাগারের ফটকে উপস্থিত হন।
স্ত্রী, ছেলেসহ ১৭ সদস্যবিশিষ্ট সাকার পরিবার পাঁচটি গাড়িতে রাত ৯টায় কারা ফটকের সামনে উপস্থিত হন। পরে আরও বেশ কয়েকজন সেখানে আসেন।
মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা রাত ৯টা ২০ মিনিটে কারা ফটকের সামনে উপস্থিত হন।
এর আগে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করার জন্য পরিবারের সদস্যদের ডাকে কারা কর্তৃপক্ষ।
শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের উভয়ের পরিবারকে ফোন করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আসতে বলা হয়। দুই দণ্ডপ্রাপ্তের ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও মাবরুর মুজাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের ১৮ সদস্য কারাগারে এসেছেন। এরা হলেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফরহাত কাদের চৌধুরী, বড় ছেলে ফজলুল কাদের চৌধুরী ফাইয়াজ, ছোট ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী, মেয়ে পারভীন কাদের চৌধুরী, মেয়েজামাই জাফর খান, ভাই জামালউদ্দিন কাদের চৌধুরী, বোন জোবাইদা আনোয়ার, ভাবী সেলিনা কাদের চৌধুরী, বড় ছেলের স্ত্রী তানিয়া খন্দকার, শ্যালিকা রাহাত আদেল, ভাগ্নি মাহবুবা চৌধুরী, ভাতিজি সামিয়া কাদের চৌধুরী, চাচি পারভীন কাদের চৌধুরী, শ্যালক আবু বকর আদেল, শ্যালকের স্ত্রী আফরিন আদেল ও ভাবী শ্যামা কাদের চৌধুরী, খালাত ভাই সাদেক হোসেন চৌধুরী ও সাঈদ হোসেন চৌধুরী।


