প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সতর্ক অবস্থানে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে জয়ী হতে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে চায় দলটি। সেক্ষেত্রে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শাস্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এদিকে, পৌরসভা নির্বাচনে মহাজোটের শরিক দলগুলোকে নিয়ে জোটবদ্ধ নির্বাচন করার ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ১৪ দল।
২৮ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন দলীয় সভানেত্রী। এর আগে ২৬ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে নৌকা প্রতীকের একক মেয়র প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ দেন।
বৈঠকে জেলা, উপজেলা, শহর বা পৌর কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে স্থানীয় সাংসদের পরামর্শে একজন মেয়র প্রার্থী বাছাই করে দলের সভানেত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। তবে, প্রত্যেকটি পৌরসভায় সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থী থাকায় একক প্রার্থী বাছাই করা বেশ কঠিন বলে মনে করেন দলের নেতারা।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে বহু নেতাকর্মী আছে এবং বহু যোগ্য প্রার্থী আছে যারা পৌরসভা নির্বাচন ও জাতীয় সংসদের নির্বাচনের যোগ্যতা রাখে। স্বাভাবিকভাবেই সেক্ষেত্রে ভালো প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে একটু সমস্যা হবে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, কেউ যদি এই ভুল করে তাহলে তার বিরুদ্ধে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হবে।
এদিকে, ক্ষমতাসীন মহাজোটের শরীক দলগুলো এককভাবে নির্বাচন করবে, নাকি সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন করবে সে ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ১৪ দল। জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম মনে করেন, এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন শেখ হাসিনা।
তবে আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন, জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে স্থানীয় নির্বাচনে সব দলেরই এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত।


