একটি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে দেশে নাশকতার চেষ্টা করছিলো জেএমবি। রাজধানীর উত্তরা থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই পাকিস্তানি নাগরিকসহ জেএমবির চার সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম।
মনিরুল ইসলাম জানান, জেএমবির এই চক্রটির সঙ্গে একটি হাইকমিশনের নারী কূটনীতিকের যোগাযোগের প্রমাণও পেয়েছেন তারা।
নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন-জেএমবির কার্যক্রম সক্রিয় করা এবং ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই চক্রটি কাজ করছিলো দাবি করে গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, তাদের মূল টার্গেট ছিলো সরকারকে বিব্রত করা।
আর এই চক্রের প্রধান ইদ্রিস শেখ ১৯৮৫ সালে ভারত হয়ে পাকিস্তানে গিয়ে সে দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে ১৯৯০ সালে এক পাকিস্তানি নারীকে বিয়ে করে সে।
২০০২ সালে পাক মুসলিম এলাইন্স নামে একটি দলের হয়ে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নেয় ইদ্রিস।
গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরো জানান, তাদের কাছ একটি স্পাই ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। যেটি দিয়ে একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের আলামতও পেয়েছেন তারা।
জেএমবি বর্তমানে দুটি ধারায় বিভক্ত। গ্রেপ্তারকৃত চারজন মাওলানা সাইদুর রহমানের নেতৃত্বাধীন অংশের অনুসারী বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।


