বাংলাদেশে প্রিমিয়ার লিগের খেলা ছেড়ে হঠাতই দেশের বিমান ধরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যারম স্পিনার সুনীল নারিন। কোনো চোটটোট পাননি, তবে কেন আচমকা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ছাড়লেন ক্যারিবীয় রহস্য স্পিনার। ইনজুরি বা টিম সমস্যা নয়, ফের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন ক্যারিবীয়ান অফ স্পিনার।
আগামী তিন মাসের মধ্যে বোলিং অ্যাকশন শুধরে আইসিসির সাসপেনশন কাটিয়ে মাঠে ফিরতে না পারলে নারিনের আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাশাপাশি আইপিএল-নাইনে খেলাও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
রোববার এক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, নারিনের সব রকম ডেলিভারির সময়ই কনুই ভাঙাটা ১৫ ডিগ্রির সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। সে জন্যই বোলিং অ্যাকশন শোধরানো না পর্যন্ত আপাতত তাকে নির্বাসিত থাকতে হবে। আর এদিনই দেশের বিমান ধরেন নারিন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মালিক নাফিজা কামাল বলেছেন, আমরা আইসিসিরি ঘোষণার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। তবে সত্যিকারভাবেই তাকে আমরা মিস করবো। সে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলো।’
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী (ধারা ৬.১) এই নির্বাসন যে কোনো দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তার খেলতে না পারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের অনুমতি নিয়ে তিনি কেবল নিজের দেশের ঘরোয়া ম্যাচ খেলতে পারেন। অর্থাৎ বোলিং অ্যাকশন শুধরে মার্চের আগে না ফিরতে পারলে এই ক্যারিবীয়ান ম্যাচ উইনিং স্পিনারের ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হবে না। আইপিএলে খেলাও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
চলতি মাসেই শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ান ডে ম্যাচে নারিনের অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট করেন সে ম্যাচের আম্পায়াররা। ১৭ নভেম্বর লাফবরোয় আইসিসি অনুমোদিত বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা কেন্দ্রে নারিনকে পরীক্ষাও দিতে হয়। সেই পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরেই এদিন অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাকে নিষিদ্ধ করে আইসিসি।
রায় এক বছর পর চলতি মাসেই শ্রীলঙ্কা সফরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছিলেন নারিন। তিন ওয়ানডেতে উইকেট নেন চারটি। ২০১৪’র অক্টোবরে প্রথম তার অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগ ওঠে। সে বছর ভারতের ক্যারিবিয়ান সফরে এবং এ বছর বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ান নারিন। আইপিএলে ফিরে এলেও তার অ্যাকশন নিয়ে ফের রিপোর্ট দেন আম্পায়াররা।


