একাত্তরে যুদ্ধাপরাধ ঘটেনি বলে পাকিস্তানের বক্তব্যে দ্বিমত জানিয়ে বিএনপি বলেছে, ইসলামাবাদের এই কথায় সত্যকে আড়াল করা যাবে না।
একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশের পর সম্প্রতি ঢাকায় দেশটির হাইকমিশনারকে তলব করে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলার কড়া প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ সরকার। এর পাল্টায় সোমবার ইসলামাবাদে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে পাকিস্তান সরকার বলে, একাত্তরে যুদ্ধের মধ্যে অপরাধ সংঘটন ও বর্বরতার ঘটনা ঘটেনি।
বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপনের কাছে এ বিষয়টি জানতে চাইলে বলেন, “আমি খুবই সংক্ষেপে এক লাইনে মন্তব্য করতে চাই, পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনী, তারা জেনোসাইড ঘটিয়েছে। তাদের এসট্রোসিটি ছিল। সুতরাং সত্যকে আড়াল করা যাবে না।”
অর্থনৈতিক অগ্রগতিসহ নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগোলেও মানবাধিকার পরিস্থিতি নাজুক হয়েছে পড়েছে বলে দাবি করেন বিএনপির এই মুখপাত্র। বলেন, “বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে পর্যায়টা এখন যাচ্ছে, এটা খুবই খারাপ ও নিম্নগামী। আজকে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ও জাতিসংঘে এ নিয়ে কথা উঠেছে।”
“ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বক্তব্যের প্রতি উত্তরে একটি পত্রিকায় হেডিং দেখলাম-সরকার বলছে ‘ভেরি ডিস্টার্বিং’। বিষয়টা ডিস্টার্বিং নয়, এগুলোকে অ্যাড্রেস করাটাই হচ্ছে সরকারের দায়িত্ব। চোখ বন্ধ করে রাখলে কি প্রলয় বন্ধ হয়? সমস্যার সমাধান দিতে হবে।”


