বিচ্ছিন্নতাবাদী কোনো কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রদূত হয়ে রাশিয়া যাচ্ছেন পঙ্কজ সরণ
বুধবার ভারতের বিদায়ী হাই কমিশনার পঙ্কজ শরণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে শেখ হাসিনা এই মন্তব্য করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান।
বাংলাদেশে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় পঙ্কজ শরণকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি তার সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
ইহসানুল করিম জানান, দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, সংস্কৃতি এবং নাগরিকদের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়বে বলেও বৈঠকে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিদায়ী হাই কমিশনার দুই দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আরও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নকে ঐতিহাসিক হিসাবেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত শুধু সহযোগিতাই করেনি। তারা শরণার্থীদেরও আশ্রয় দিয়েছিল।”
ভারতের বিদায়ী হাই কমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১০ সালে শেখ হাসিনার ভারত সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলেও মন্তব্য করেন পঙ্কজ শরণ।
“বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে পঙ্কজ শরণ বলেন, কখনো কোনো সমস্যা হলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যাবে,” বলেন শেখ হাসিনার প্রেস সচিব।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন ।
২০১২ সালে বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব নেন পংকজ শরণ। এর আগে ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের প্রথম সচিবের (রাজনৈতিক) দায়িত্ব পালন করেন।
শিগগিরই তার রাশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। আর ঢাকায় তার স্থলাভিষিক্ত হবেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।


