বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, রাতের আঁধারে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ বন্ধ হলেই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা সম্ভব।
দায়িত্ব গ্রহণের তিন বছর পূর্তিতে ৬ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিজিবির মহাপরিচালক। এ সময় তিনি দায়িত্বকালীন বিজিবির সফলতা, উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেজর আজিজ নাগরিকদের অসচেতনতাকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘রাত ১২টার সময় গরু আনতে গেল বা অন্য কিছু করতে গেল ওইপারে। গুলি করে মারবে কেন? সেজন্য আমাদের বক্তব্য সব সময় থাকবে। বাট এট দ্য সেম টাইম (কিন্তু একই সময়ে) আমরা যে জিনিসটা করে আসছি… হয়তো সে কারণে কিছুটা হয়তো এখনো ডাউনে ধরে রাখতে পারছি। সেটাকে জিরোতে নিয়ে আসতে হবে। সেটা হলো আমাদের লোকজন যদি রাতের আঁধারে বর্ডার পাস (সীমান্ত পার) না করে।’
যেকোনো ধরনের জঙ্গি তৎপরতা ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর নজরদারি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানান বিজিবি মহাপরিচালক। বাধ্য হয়েই সীমান্তরক্ষীবাহিনী ভারি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিনিয়ত আমার লোকরা আক্রান্ত হচ্ছে। আমরা ব্ল্যাঙ্ক ফায়ার (ফাঁকা গুলি) করি অন্য কিছু করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে এক্ট্রিকেট (বিতাড়িত) করি। আমরা সাধারণত গুলি করি না। এই ব্যাপারে প্রতিবারই বিএসএফকে ইনসিস্ট করছি। কিন্তু তাঁরা আক্রান্ত হচ্ছে বলে গুলি করছে। এটি অবশ্য তাঁদের ভাষ্য।’
আগামী জানুয়ারি মাসে প্রশিক্ষণ শুরুর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বিজিবিতে ১০০ নারী সদস্য যুক্ত হচ্ছে বলেও জানান মেজর আজিজ।


