বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

ফাঁসির দণ্ড থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফকে যাবজ্জীবন

joseph-edরাজধানীর মোহম্মদপুরে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফের সাজা কমানো হয়েছে। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

বুধবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

১৯৯৬ সালে ৭ মে মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরের দিন তার স্ত্রী রাশিদা পারভীন একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ২০০৪ সালের নিম্ন আদালত জোসেফ ও মাসুদ রহমানকে ফাঁসির আদেশ দেয়। এছাড়া বাকি তিন আসামি কাবিল সরকার, আনিস আহমেদ ও হাবিল আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

হাইকোর্টে আপিল করা হলে জোসেফের মৃত্যুদণ্ড বহাল ও মাসুদকে খালাস দেয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন জোসেফ। আপিলের শুনানি শেষে জোসেফের মৃতুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান শুনানি করেন।

বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ওয়াদুদ আহমেদের ছোট ছেলে তোফায়েল আহমেদ জোসেফের বড় ভাই হারিস আহমেদের নামও রয়েছে পুলিশের শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায়। হারিস বর্তমানে ভারতে পালিয়ে আছেন বলে ধারণা করা হয়।

নব্বইয়ের দশকে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন তাদের আরেক ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে জোসেফের বড় ভাই হারিস আহমেদ নিজেকে মোহাম্মদপুর এলাকায় জাতীয় পার্টির নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর তিনি নিজের পরিচয় দিতে শুরু করেন মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের নেতা হিসাবে। ঢাকার ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কমিশনার পদে নির্বাচনও করেছিলেন তিনি। জোসেফও এক সময় নিজেকে ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানার নেতা হিসেবে দাবি করতেন।

আরও পড়ুন