দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ইসকন মন্দিরে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় পৃথক থানায় দু’টি মামলা হয়েছে। মন্দিরে গুলি ও বোমা হামলায় অভিযোগ এনে মন্দির কমিটির পক্ষে কাহারোল থানায় একটি মামলা করেন গোবরধন দাস। মামলায় গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার শওকত আলীর ছেলে শরিফুল এবং উপজেলার বানভাসা গ্রামের তহসিলদার মানিক খন্দকারের ছেলে মোসাদ্দের হোসেনসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনের কথা উল্লেখ করে গত শুক্রবার রাতে মামলাটি করা হয়। মামলা নম্বর-০৩। মামলার তদন্ত ভার গ্রহণ করেন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তাজেরুল ইসলাম।
এদিকে হামলায় অংশ নেওয়া লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার বানভাসা গ্রামের তহশিলদার মানিক খন্দকারের ছেলে মোসাদ্দের হোসেন বীরগঞ্জ থানার ভোগনগর ইউনিয়নের সিংড়া শালবন থেকে অস্ত্র ও এসএমজিসহ শুক্রবার আটক করা হয়।
এ ঘটনায় বীরগঞ্জ থানার এসআই মো. সাহাদত হোসেন বাদী হয়ে মোসাদ্দের হোসেন এবং ঘটনাস্থলেই আটক গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার শওকত আলীর ছেলে শরিফুল ইসলামসহ অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করে অস্ত্র আইনে বীরগঞ্জ থানায় শুক্রবার রাতে অপর মামলাটি করেন। মামলা নম্বর-০৬। মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেছে এসআই গারুর আলী।
প্রসঙ্গত, দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ডাবোর ইউনিয়নের জয়নন্দ ডহচি গ্রাম ইসকন মন্দিরে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ধর্মসভা চলাকালে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার ইশানিয়া গ্রামের বিপতি চন্দ্র রায়ের ছেলে রঞ্জিত চন্দ্র রায় (৪৫) ও মিঠুন চন্দ্র রায় আহত হন। আহত মিঠুন চন্দ্র রায়কে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।


