শুক্রবার ১৬ নভেম্বর ২০১৮
বিশেষ নিউজ

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশন শুরু ১৬ ডিসেম্বর


NEWSWORLDBD.COM - December 14, 2015

Sim-Biometপরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জটিলতার অবসানের পর আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস থেকে শুরু হচ্ছে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, কিছু জটিলতার যাচাই-বাছাই শেষে সমস্যা কমিয়ে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে আমরা বায়োমেট্রিক সিম রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছি।

টেলিফোনে অপরাধের মাত্রা কমাতে নম্বরের মালিকের বৃদ্ধা আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে সিম রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয়।

ঐদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনে (বিটিআরসি) একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচি চালু হবে।

গত ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় নিজের আঙুলের ছাপ দিয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটক’র একটি সিম নিবন্ধনের মধ্যদিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতির উদ্বোধন করেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ টেলিটক সহ ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটর রয়েছে। অন্য অপারেটরগুলো হচ্ছে- গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক ও সিটিসেল।

বিটিআরসির জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শুধু সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নির্দিষ্ট কাস্টমার কেয়ারে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম সনদ, পাসপোর্টের মতো অনুমোদিত পরিচয়পত্র দিয়ে সিম নিবন্ধন করা যাবে। অনুমোদিত পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে হবে। আজ যিনি নতুন সিম কিনবেন, তাঁকে যেমন এ পদ্ধতি অনুসরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আবার যে গ্রাহক আগেই সিম কিনেছেন, সেটি যদি ঠিকভাবে নিবন্ধিত হয়ে না থাকে, তাহলে তাঁর জন্যও এ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে। আবার হারিয়ে যাওয়া সিমটি প্রতিস্থাপন করতে হলেও এ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।

বর্তমানে আগে কেনা সিমের সঠিক নিবন্ধন দুইভাবে করা হচ্ছে। ২০১২ সালের আগে কেনা মুঠোফোন সিমের নিবন্ধন করতে গত ১৫ অক্টোবর থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে খুদে বার্তা পাঠানো শুরু করেছে মোবাইল অপারেটররা। আর ২০১২ সালের পরে কেনা সিমের জন্য গ্রাহকেরা নিজেরাই নিবন্ধনের সঠিকতা অনলাইনে যাচাই করতে পারছেন।

একটি সিম সঠিকভাবে নিবন্ধিত কি না, এর জন্য মুঠোফোনের খুদে বার্তায় ইংরেজিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ, পূর্ণ নাম লিখে ১৬০০ নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হবে। মোবাইল অপারেটরদের জন্য এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া অন্যান্য পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সিম নিবন্ধনের তথ্য যাচাইয়ে বিক্রেতার পরিচিতি কোড, অনুমোদিত পরিচয়পত্রের ধরন ও নম্বর, গ্রাহকের জন্ম তারিখ, গ্রাহকের আঙুলের ছাপ ও একটি যাচাইযোগ্য মোবাইল নম্বরের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সংগ্রহ করা পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বরের তথ্য যাচাইয়ের জন্য মোবাইল অপারেটরকে বিটিআরসিতে স্থাপিত কেন্দ্রীয় ‘বায়োমেট্রিক্স ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম’ থেকে অনলাইন ছাড়পত্র নিতে হবে।

বায়োমেট্রিক্স ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম হলো আঙুলের ছাপ পদ্ধতি কার্যক্রম তত্ত্বাবধানে সব মোবাইল অপারেটর নিয়ে গঠিত একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার। নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রাহক যাচাইয়ের তথ্য দুইভাবে সম্পন্ন হবে। প্রথমে গ্রাহকের নিবন্ধন-সম্পর্কিত তথ্য সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে বিটিআরসির তথ্যভান্ডারে আসবে। পাঠানো তথ্য বিটিআরসির ছাড়পত্র পেলে তা যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্যভান্ডারে পাঠানো হবে। বিটিআরসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, খুচরা পর্যায়ে এক অপারেটরের কেনা বায়োমেট্রিক নিবন্ধনযন্ত্র অন্য অপারেটরও ব্যবহার করতে পারবে। এ জন্য ব্যবহারকারী মোবাইল অপারেটরকে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ দিতে হবে। সিম নিবন্ধনে গ্রাহকের দেওয়া তথ্য যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন বিভাগের (এনআইডি) সঙ্গে চলতি নভেম্বরে দেশের ছয় মোবাইল অপারেটরের চুক্তি হয়েছে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার ব্যবহারের সুযোগ পাওয়ায় মোবাইল অপারেটররা এখন একজন গ্রাহকের এনআইডি নম্বর, জন্ম তারিখ ও আঙুলের ছাপ ঠিক আছে কি না, তা যাচাই করতে পারবে।

যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ 'লাইক' করতে পারেন (এই লাইনের নিচে দেখুন)...






-

Editor & Publisher: Anwarul Karim Raju

NEWSWORLDBD.COM
email: [email protected]
Phone: +8801787506342

©Titir Media Ltd.
News & Editorial: 39 Mymensingh Lane, Banglamotor
Dhaka-1205, Bangladesh.