বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে এ সংক্রান্ত সব চুক্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করতে সম্মত হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশ ও নেপাল।
নেপালের ইংরেজি দৈনিক দ্য হিমালয়ান টাইমসের অনলাইন সংস্করণে বুধবার রাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে চলমান বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের ফাঁকে মঙ্গলবার এক বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে এই বিষয়ে একমত হন দেশটির বাণিজ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী গণেশমান পুন।
নেপালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিকটিতে আরও বলা হয়, বৈঠককালে গত এপ্রিলের প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহযোগিতার কথা স্মরণ করার পাশাপাশি বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান নেপালের বাণিজ্যমন্ত্রী।
জেনেভায় জাতিসংঘে নেপালের স্থায়ী মিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে পণ্যবাহী যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়া এবং জ্বালানি ও অন্যান্য নিত্যপণ্যসহ বর্তমান সরবরাহ পরিস্থিতি আরও উন্নত করার ওপর জোর দেন গণেশমান পুন।
ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দু’দেশের মধ্যে আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে থাকা বাণিজ্য সংক্রান্ত সব চুক্তি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন দুই মন্ত্রী।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সার্ক অঞ্চলে নেপালকে ভালো বন্ধু উল্লেখ করে তার দেশ সব সময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে নেপালের মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। এছাড়া অবরোধের মধ্যে তীব্র জ্বালানি সঙ্কটের প্রেক্ষাপটে নেপাল তৃতীয় কোনো দেশ থেকে জ্বালানিপণ্য আমদানি করতে আগ্রহী হলে বাংলাদেশ অংশে ট্রানজিট দেয়ার বিষয়েও আশ্বাস দেন তিনি।
এতে জানানো হয়, বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ দিতে নেপালের ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর নাইরোবি পৌঁছান দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী। দু’দিনের এ সম্মেলন মঙ্গলবার শুরু হয়।


