বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

সরকারকে খুশি করতে ব্যস্ত ইসি: সংশ্লিষ্টরা

Ec-Controversyনির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিন সংসদ সদস্যকে নোটিশ করা ছাড়া এখন পর্যন্ত তেমন কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। বরং সরকার যেন মনক্ষুণ্ণ না হয় কমিশন সে চেষ্টাতেই ব্যস্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোন কোন প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করার পরও নির্বাচন কমিশন উদাসীন বলে মনে করছেন তারা।

এবারের পৌর নির্বাচনকে শুরু থেকেই ‘তাড়াহুড়োর নির্বাচন’ হিসেবে বলে সমালোচনা ছিল বিভিন্ন মহলে। সেই তাড়াহুড়োর প্রতিফলন ঘটেছে নির্বাচন কমিশনের নানা পদক্ষেপে। তফসিল ঘোষণার পরও নির্বাচনী বিধি সংশোধন করা, ক্ষমতাসীন দলকে খুশি করতে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে দলের প্রার্থী বাদ পড়ায় বিদ্রোহীকে দলের বলে বিবেচনা করা, কোন কোন জায়গায় বিদ্রোহীদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকির পরও হুমকিদাতা বা দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া আচরণবিধি ভেঙ্গে মন্ত্রী-এমপিদের প্রচারনায় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো আলোচনায় আসে। এ ব্যাপারে তিন সংসদ সদস্যকে কারণ দর্শানোর চিঠি দিলেও দুই মন্ত্রীর বেলায় তা রিটার্নিং অফিসারের ওপর ছেড়ে দেয়াকে ভালো চোখে দেখছেন না অনেকেই।

যেকোন অনিয়মের ক্ষেত্রে নিজ উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে গেলে নানা জটিলতা হয় বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ।

নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ জানান, “স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ বলছেন, স্থানীয় পর্যায়ের নানামুখি চাপ রিটার্নিং অফিসারের পক্ষে সামাল দেয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। কাজেই তাদের ওপর সব দায় না চাপিয়ে কমিশনের উচিত আরো বেশি দায়িত্ব নেয়া। ”

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ বলেন, “অন্যদিকে সরকারকে খুশি করা ছাড়া আর কোন দায়িত্ব এখন পর্যন্ত পালনে কমিশন ব্যর্থ বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম. হাফিজউদ্দীন খান।”

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম. হাফিজউদ্দীন খান জানান, “প্রকাশ্যে ভোট থেকে প্রার্থীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়ার পরও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক না করারও সমালোচনা করেন বিশিষ্ট জনেরা।

আরও পড়ুন