গাড়ি চালনার কোর্স। বয়সও ১৮’র বেশি। ঠিকমতো ফরমও পূরণ করতে হবে। তবে টাকা পয়সার বিষয়টি গৌন! মূলশর্ত, যৌন সম্পর্কে রাজি হওয়া। আজব শোনালেও এভাবেই গাড়ি চালানো শিখছেন নেদারল্যান্ডের পড়ুয়ারা। ‘রাইড টু রাইড’ নামে এই পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি নেই সরকারেরও। এই পদ্ধতিতে যারা গাড়ি চালানো শিখতে আসছেন তাদের বেশিরভাগই কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী।
তবে এই পদ্ধতিতে গাড়ি চালনা কোর্সের খবরে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আমস্টারডামে। তৈরি হয়েছে বিতর্কও। শেষ পর্যন্ত ইস্যু নিয়ে বিবৃতি দিতে বাধ্য হয়েছেন দেশের পরিবহনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি অনৈতিক হলেও অবৈধ নয়।’
পরিবহনমন্ত্রীকে সমর্থন জানিয়েছেন আইনমন্ত্রীও। দেশের সংসদে এ বিষয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়ে তারা বলেছেন, ‘এটা যৌনতার বিনিময়ে যৌনতা বিক্রি নয়। বরং অর্থের বিনিময়ে শিক্ষা।’ তবে সঙ্গে এও স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে, ড্রাইভিং প্রশিক্ষক যেন সতর্ক থাকেন। তার লক্ষ্য যেন অন্য কিছু না হয় তা নজর রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, বিরোধিরা অভিযোগ করলেও বিষয়টিকে দেহব্যবসার সঙ্গে তুলনা করতে নারাজ সরকার। তাদের যুক্তি, প্রাপ্তবয়স্ক পড়ুয়ারা যদি যৌনতার পরিবর্তে ড্রাইভিং শিখতে চান, এতে সরকারের কিছু করার থাকে না।


