বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

হিটলারের তাহলে একটিই ‘অণ্ডকোষ’ ছিল?

Adolf-Hitlarনিঃসন্তান এডলফ হিটলারকে ব্যঙ্গ করে ব্রিটিশদের মধ্যে রটনা ছিল যে তার একটি অণ্ডকোষ ছিল না; বহু দিনের সেই রটনাকে এখন ঘটনা হিসেবে ভিত্তি দিচ্ছে একটি চিকিৎসা প্রতিবেদন।

জার্মানির এক ইতিহাসবিদ সম্প্রতি এই নাৎসি নেতার ওই চিকিৎসা প্রতিবেদন খুঁজে পেয়েছেন বলে ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান জানিয়েছে; যাতে বলা হচ্ছে, তার অণ্ডকোষ একটি ছিল।

এই ডাক্তারি প্রতিবেদনটি ১৯২৩ সালের। জার্মানিতে প্রথমবার ক্ষমতা দখলে ব্যর্থ হয়ে হিটলারকে তখন মিউনিখ কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

সেখানে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করেন চিকিৎসক জোসেফ স্টেইনার ব্রিন। মেডিকেল রিপোর্টে তিনি লেখেন, “অ্যাডলফ এমনিতে নীরোগ ও শক্তিশালী হলেও তার ডান দিকের অণ্ডকোষটি অদৃশ্য বা ক্ষতিগ্রস্ত।”

ওই ডাক্তারি প্রতিবেদনটি সম্প্রতি খতিয়ে দেখে জার্মানির নুরেমবার্গ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক পিটার ফ্লেইশমান বলছেন, প্রায় শতাব্দী প্রাচীন হলেও কারাগারের এই প্রতিবেদনটি একশ  ভাগ নির্ভুল।

কিন্তু এত দিন এর হদিস মেলেনি কেন- এই প্রশ্নে ইতিহাসবিদদের একাংশের  উত্তর- ২০১০ সালে বাভারিয়ায় নিলামে উঠার আগ পর্যন্ত এই ডাক্তারি প্রতিবেদনের অস্তিত্বই কারও জানা ছিল না।

হিটলারের একটি অণ্ডকোষ কম কি জন্মগত ত্রুটি, নাকি পরে ঘটেছে, তা নিশ্চিত নয়। তবে দাবি রয়েছে যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বিস্ফোরণে একটি অণ্ডকোষ হারান তিনি।

তবে একে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়ে ১৯৪৩ সালে আরেকটি বক্তব্য এসেছিল হিটলারের পক্ষে, তখন জার্মানির চ্যান্সেলর হয়ে গোটা বিশ্বের উপর ছড়ি ঘোরাতে চাইছিলেন তিনি।

ওই সময় হিটলারের শৈশবের এক চিকিৎসক যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছিলেন, জার্মান চ্যান্সেলরের অণ্ডকোষ স্বাভাবিকই ছিল।

কথিত আছে, বান্ধবী এফা ব্রাউনের সঙ্গে যৌন মিলনের সময় যৌনশক্তিবর্ধক ওষুধ নিতেন হিটলার।

হিটলার কেন সন্তানহীন, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন যারা অনেক দিন ধরে। নতুন ডাক্তারি প্রতিবেদন তার উত্তর বলে মনে করছেন তারা।

আরও পড়ুন