ভারত পেঁয়াজের রপ্তানী মূল্য কমানোয় আমদানী বেড়েছে এই ভোগ্যপণ্যটির। এজন্য বাজারে পেঁয়াজের ঝাঁজও এখন কম। তবে, ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে দেশের পেঁয়াজ চাষীরা। ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানী বাড়ায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
আর তাই, পেঁয়াজের মৌসুমে আমদানি বন্ধের পরামর্শ ব্যবসায়ীদের। বলছেন- কৃষক চাষে আগ্রহ হারালে ভবিষ্যতে শঙ্কা থাকবে দাম বেড়ে যাওয়ার।
আড়ত থেকে পাইকারি, আর পাইকারি থেকে খুচরা বাজার। সবখানেই পেঁয়াজের ঝাঁজ এখন কম। দশ দিনের ব্যবধানে এই ভোগ্যপণ্যের দাম নেমে এসেছে অর্ধেকে।
পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার শ্যামবাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েকদিন আগেও যেখানে পেঁয়াজের দাম ছিলো প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। একই পেঁয়াজ সেখানে এখন বিক্রি হচ্ছে ২২ থেকে ২৬ টাকায়। কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কমায়, বেড়েছে আমদানী। এছাড়া, বাজারে সরবরাহ বেড়েছে দেশী পেঁয়াজেরও। এজন্য বাজারে এই পণ্যের দাম ভোক্তার হাতের নাগালেই।
সম্প্রতি, পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য নতুন করে নির্ধারণ করেছে ভারত সরকার। পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে টন প্রতি ৭শ ৫ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে, নতুন মূল্য ধরা হয়েছে ৪শ ৫ ডলার। ফলে দাম কমায় বেড়েছে আমদানি। তবে, ব্যবসায়ীরা বলছেন এতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন দেশের কৃষকরা।
মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠের মতো পেঁয়াজের ঝাঁজেও আছে যেন দুই দিক। দাম কমায় ভোক্তাদের বাজেটে স্বস্তি ফিরে এলেও, বিপাকে চাষীরা। আশায় বুক বাঁধলেও এখন লোকসানের হিসেব কসছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার এখনই কোনো পদক্ষেপ না নিলে, পেঁয়াজ চাষে উৎসাহ হারাবেন প্রান্তিক কৃষকরা। ফলে ভবিষ্যতে এই ভোগ্যপণ্যের দাম আবারো হতে পারে উর্ধ্বমুখী।


