বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

ভোটের খবর সংগ্রহে কড়াকড়ি আরোপ করে ইসির পরিপত্র

vlcsnap-00001_200_200পৌর নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ ও সম্প্রচার নিয়ে এর আগে গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, শেষ পর্যন্ত সেখানে থাকছে না নির্বাচন কমিশিন।

সাংবাদিকদের কাজের ওপর নানা বিধি নিষেধ আরোপ করে, এরই মধ্যে জারি করা হয়েছে পরিপত্র। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, যা ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনেরই ইঙ্গিত। তাদের মতে, মন্ত্রী-এমপিদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায়, প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাওয়ার বিষয়টিও নির্বাচন কমিশনের অসহায়ত্ব আর দুর্বলতার বহি:প্রকাশ।

দিন যত গড়াচ্ছে, ততোই উত্তাপ বাড়ছে নির্বাচনের মাঠ। আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি সহিংসতা ছড়িয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

নির্বিঘ্ন ভোট করতে শুরু থেকে নির্বাচন কমিশনের হুশিয়ারি থাকলেও মাঠের চিত্র ভিন্ন। সরকারি দলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকলেও ব্যবস্থা নিতে বিব্রত নির্বাচন কর্মকর্তারা। নিরুপায় ইসি মাঠের উত্তেজনা কমাতে সহায়তা চেয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর। সাবেক এই নির্বাচন কমিশনারের মতে, সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরিতে শুরুতেই হোচট খেয়েছে ইসি। নির্বাচনী অনিয়ম, সহিংসতা রোধে ব্যর্থতা ও সরকার প্রধানের দারস্থ হওয়া তাদের অসহায়েত্বের বহি:প্রকাশ।

দলীয়ভাবে স্থানীয় নির্বাচনে যে আগ্রহ ছিলো সবার, নির্বাচন কমিশনের সীমাবদ্ধতার কারণেই তা অনেকটা ম্লান হচ্ছে বলে মনে করেন এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

গত শনিবার আইনশৃংখলা বাহিনীর সাথে বৈঠক শেষে নির্বাচনে স্বাধীনভাবে গণমাধ্যমকে কাজ করতে দেয়া হবে বলে সিইসি জানালেও শেষ পর্যন্ত সে সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছে তারা। এরই মধ্যে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে কড়াকড়ি আরোপ করে পরিপত্রও জারি করা হয়েছে। যাকে স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ দাবি করে বিশ্লেষকরা বলছেন, এ অবস্থা ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনেরই ইঙ্গিত বহন করছে।

গণমাধ্যমের পথ রুদ্ধ না করে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনকে সঠিক ভুমিকা রাখার আহবান এই দুই বিশ্লেষকের।

আরও পড়ুন