জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) স্বীকৃতি সনদ হাতে পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সনদটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। গত ১৫ ডিসেম্বর এফএও বাংলাদেশের ভাসমান বাগান কৃষি পদ্ধতিকে গ্লোবালি ইমপর্টেন্ট অ্যাগ্রিকালচারাল হেরিটেজ সিস্টেম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
আজ সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভাকে স্বীকৃতির বিষয়টি বিস্তারিত অবহিত করে মন্ত্রণালয়।
দুপুরে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও বরিশালে প্রচলিত ভাসমান বেডে সবজি চাষের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে এফএও। পানিতে কলাগাছ বা অন্যভাবে সবজি চাষ হয় এসব এলাকায়। এটিকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একই সূত্র জানায়, এফএওর একটি বিশেষজ্ঞ দল সরেজমিনে এসব এলাকা ঘুরে একটি প্রতিবেদন পাঠায় এফএও সদর দফতরে। এরপর নিরীক্ষণ করে এটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে সংস্থাটি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ স্বীকৃতি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সম্মানেরও। এটি আমাদের একটি বড় অর্জন। গ্রামে যেখানে সারা বছর পানি থাকে, কচুরিপানা বা অন্যভাবে এ চাষ হয়। এটি বেশ কার্যকর, তাই স্বীকৃতিটি পাওয়া গেছ


