পৌর নির্বাচনে ‘অপ্রতিরোধ্য’ গতিতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা জয়ী হচ্ছেন। বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ১২৪টি পৌরসভার ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১০৩টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। নয়টটিতে জয়ী হয়েছেন তাঁদের দলের বিদ্রোহী প্রার্থী, যাঁরা স্বতন্ত্র পদে নির্বাচন করেছেন।
আর বিএনপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সাতটি পৌরসভায়। চারটি পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। একটি পৌরসভায় জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা।
নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগেই সাতটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সেই হিসাবে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা ১৩১টি পৌরসভার মধ্যে ১১৯টি পৌরসভায় মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন।
এর আগে আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৩৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হয়।
আওয়ামী লীগের ১০৩ প্রার্থী জয়ী
বরিশাল : বরিশালের বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল পাঁচ হাজার ৬৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। গৌরনদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের হারিসুর রহমান ১৮ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির স্বপন শরিফ পেয়েছেন ৭৭৬ ভোট। মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কামালউদ্দিন। তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার সাত ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাহাঙ্গীর হোসেন খোকন পেয়েছেন এক হাজার ৫৬৭ ভোট। মুলাদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের শফিকুজ্জামান রুবেল নয় হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির আসাদ মাহমুদ পেয়েছেন ৫৯৬ ভোট।
বাকেরগঞ্জে আওয়ামী লীগের লোকমান হোসেন ডাকুয়া সাত হাজার ২২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকতটম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হেমায়েত উদ্দিন হাওলাদার পেয়েছেন এক হাজার ২১৮ ভোট। উজিরপুরে আওয়ামী লীগের গিয়াস উদ্দিন ব্যাপারী ছয় হাজার ৩০১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শহীদুল ইসলাম খান দুই হাজার ৩৬০ ভোট পেয়েছেন।
ঝালকাঠি : নলছিটিতে ১৩ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের তসলিম উদ্দিন চৌধুরী।
পটুয়াখালী : কুয়াকাটা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আবুল বারেক মোল্লা চার হাজার ১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৬২৪ ভোট। আর এই জেলার কলাপাড়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ছয় হাজার ৮০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপি মনোনীত প্রার্থী পেয়েছেন এক হাজার ৩৯৯ ভোট।
দিনাজপুর : হাকিমপুর পৌরসভা নির্বাচনে আট হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের জামিল হোসেন চলন্ত। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধান শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী পেয়েছেন চার হাজার ৯১২ ভোট।
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পারভেজ মিয়া ২২ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৫৯ ভোট। জেলার হোসেনপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আবদুল কাইয়ুম খোকন চার হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. সৈয়দ হোসেন চার হাজার ৭২৭ ভোট।
জেলার কুলিয়ারচর পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আবুল হাসান কাজল নয় হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাজি শাফী উদ্দিন পেয়েছেন সাত হাজার ৫৮৫ ভোট। কটিয়াদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের শওকত উসমান ১২ হাজার ৯১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তোফাজ্জল হোসেন খান পেয়েছেন সাত হাজার ৩৫৫ ভোট। বাজিতপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আনোয়ার হোসেন আশরাফ ১০ হাজার ১৬৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এহেসান কুফিয়া পেয়েছেন চার হাজার ১৬২ ভোট।
ভৈরব পৌরসভায় আওয়ামী লীগের ফখরুল আলম আক্কাছ ৩০ হাজার ৫৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাজি মো. শাহীন ১৯ হাজার ৯৫৩ ভোট পেয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর : রামগতিতে আওয়ামী লীগের মেজবাহ উদ্দিন নয় হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির (এরশাদ) আজাদ উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন এক হাজার ৬১১ ভোট। রামগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনীত আবুল খায়ের পাটোয়ারী ১৯ হাজার ৬৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত রোমান হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন দুই হাজার ২৩৯ ভোট। রায়পুরে আওয়ামী লীগের ইসমাইল হোসেন ১৩ হাজার ৮৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ বি এম জিলানি পেয়েছেন ৬৯১ ভোট।
খুলনা : চালনা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সনৎ কুমার বিশ্বাস মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৮৪৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যক্ষ ড. অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল পেয়েছেন দুই হাজার ৫৯২ ভোট। জেলার পাইকগাছা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের সেলিম জাহাঙ্গীর ছয় হাজার ৩৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার পেয়েছেন দুই হাজার ৬৪০ ভোট।
পিরোজপুর : স্বরূপকাঠী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. গোলাম কবির (জি এম কবির) সাত হাজার ৩২৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম একমাত্র প্রার্থী বিএনপি মনোনীত পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম ফরিদ পেয়েছেন এক হাজার ৭৮৫ ভোট।
গাইবান্ধা : সুন্দরগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন চার হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজাদুল করিম নিপু পেয়েছেন এক হাজার ৯৯৩ ভোট।
ফরিদপুর : নগরকান্দা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের রায়হান উদ্দিন মিয়া চার হাজার ১৯৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটকম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুর রহমান মুকুল পেয়েছেন এক হাজার ২৩৩ ভোট।
লালমনিরহাট : লালমনিরহাট পৌরসভায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু। তিনি পেয়েছেন ১৪ হাজার ৫৬০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল হালিম পেয়েছেন ১০ হাজার ২২২ ভোট। পাটগ্রাম পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শমসের আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে সাত হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আর তিন হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা সালাউজ্জামান ওপেল।
নরসিংদী : মনোহরদী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ সাত হাজার ৬৪৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মাহমুদুল হক পেয়েছেন এক হাজার ২৮৮ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : আখাউড়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তাকজিল খলিফা ১৪ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মন্তাজ মিয়া পেয়েছেন তিন হাজার ২৩ ভোট।
ঝিনাইদহ : মহেশপুর পৌরসভায় নয় হাজার ৮৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আব্দুর রশিদ খান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র (জামায়াত সমর্থিত) শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস। তিনি পেয়েছেন দুই হাজার ৭৮৯ ভোট। হরিণাকুণ্ডু পৌরসভায় আওয়ামী লীগের শাহিনুর রহমান রিন্টু পেয়েছেন আট হাজার ২৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির জিন্নাতুল হক। তিনি পেয়েছেন তিন হাজার ৮৭২ ভোট। শৈলকুপা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী আশরাফুল আজম খান ১৪ হাজার ৯৯৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির খলিলুর রহমান। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৬২২ ভোট।
মাগুরা : মাগুরা পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খুরশিদ হায়দার টুটুল ২৭ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইকবাল আক্তার খান কাফুর পেয়েছেন ১৫ হাজার ৪৯৬।
মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজার পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মো. ফজলুর রহমান ১৩ হাজার ৬৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. অলিউর রহমান পেয়েছেন সাত হাজার ১৯০ ভোট পান। কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে পৌর যুবলীগের সভাপতি জুয়েল আহমেদ নৌকা প্রতীকে তিন হাজার ৯৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জাকারিয়া হাবিব বিপ্লব পেয়েছেন দুই হাজার ৮০৪ ভোট। বড়লেখা পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী চার হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর স্বতন্ত্র প্রার্থী খিজির আহমদ পেয়েছেন দুই হাজার ৬১৫ ভোট পান।
মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের ফয়সাল বিপ্লব ২৭ হাজার ৩১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ কে এম ইরাদত মানু পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৮৩১ ভোট। মীরকাদিম পৌরসভায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সহিদুল ইসলাম শাহীন ১৩ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মনসুর আহম্মেদ কালাম পেয়েছেন চার হাজার ৬৯ ভোট। এখানে বিএনপির শামসুর রহমান পেয়েছেন তিন হাজার ৭৩৭ ভোট।
সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান পৌর মেয়র আয়ুব বখত জগলুল ১৪ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী দেওয়ান গনিউল সালাদীন ১০ হাজার ৪৮৬ ভোট পেয়েছেন।
দিরাই পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোশারফ মিয়া সাত হাজার ৪৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক পেয়েছেন ছয় হাজার ৫৪২ ভোট।
ছাতক পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী ১০ হাজার ৮২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল ওয়াহিদ মজনু পেয়েছেন চার হাজার ৬৫১ ভোট।
জগন্নাথপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মনাফ নয় হাজার ৩২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী রাজু আহমদ রাজু পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৬৮১ ভোট।
শেরপুর : শেরপুর সদর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া ২৩ হাজার ৪০৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষের আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ২৩ হাজার ১৪০ ভোট। নকলা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের হাফিজুর রহমান লিটন সাত হাজার ৭০৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নূরে আলম সিদ্দিক উৎপল পেয়েছেন পাঁচ হাজার ১২৩ ভোট।
শ্রীবরদীতে আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ সাত হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল হাকিম পেয়েছেন ছয় হাজার ৭৭৫ ভোট।
নালিতাবাড়ীতে নৌকা প্রতীকের আবু বকর সিদ্দিক চার হাজার ৭৬১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন তিন হাজার ৮১৬ ভোট।
ফরিদপুর : নগরকান্দা পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের রায়হান উদ্দিন মিয়া বিজয়ী হয়েছেন চার হাজার ১৯৭ ভোট পেয়ে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুর রহমান মুকুল পেয়েছেন এক হাজার ২৩৩ ভোট। এই পৌরসভায় মোট আটটি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।
খাগড়াছড়ি : মাটিরাঙা পৌরসভায় সাত হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শামছুল হক। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. বাদশা মিয়া পেয়েছেন তিন হাজার ৩৮৬ ভোট।
নেত্রকোনা : নেত্রকোনা পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম খান ২৬ হাজার ৬৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম মনিরুজ্জামান ওরফে দুদু ১১ হাজার ৮৪৪ ভোট পেয়েছেন। মোহনগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লতিফুর রহমান ওরফে রতন আট হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বর্তমান মেয়র ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মাহবুবুরন্নবী শেখ। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৩৬২ ভোট।
কেন্দুয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আসাদুল হক ভূঁইয়া সাত হাজার ৭১২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন দুই হাজার ৭৩৫ ভোট।
দুর্গাপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আ. ছালাম সাত হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. জামাল উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৩১৮ ভোট।
হবিগঞ্জ : মাধবপুরে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হিরেন্দ্র লাল সাহা পাঁচ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান পেয়েছেন চার হাজার ৯৪৮ ভোট।
চাঁদপুর : হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আ স ম মাহবুব-উল আলম ১২ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল মান্নান খান পেয়েছেন ১১ হাজার ১৭২ ভোট। কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নাজমুল আলম ১০ হাজার ৭৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হুমায়ুন কবির প্রধান পেয়েছেন এক হাজার ৪৭৫ ভোট। মতলব পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মো. আওলাদ হোসেন ২৩ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এনামুল হক বাদল পেয়েছেন সাত হাজার ৬৮৫ ভোট। ফরিদগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মো. মাহফুজুল হক ছয় হাজার ৪২২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. হারুন অর রশিদ পেয়েছেন চার হাজার ৭৯০ ভোট।
ময়মনসিংহ : গৌরীপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি সাত হাজার ১১৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম হবি পেয়েছেন চার হাজার ১৪৮ ভোট। ভালুকা পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এ কে এম মেজবাহ উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন নয় হাজার ৯১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. হাতেম খান পেয়েছেন চার হাজার ৩২৪ ভোট।
গফরগাঁও পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এস এম ইকবাল হোসেন (সুমন) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার ৭১২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহ্ আব্দুল্লাহ আল-মামুন পেয়েছেন ৫৮৯ ভোট। নান্দাইল পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মো. রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া নয় হাজার ২৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত এ এফ এম আজিজুল ইসলাম (পিকুল) ছয় হাজার ২৩৮ ভোট পেয়েছেন। ফুলবাড়িয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. গোলাম কিবরিয়া সাত হাজার ৭৯৫ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মো. চান মাহমুদ চার হাজার ৯৮ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা : সাভার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গনি। তিনি পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১১২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বদিউজ্জামান বদি পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪১৮ ভোট। ধামরাইতে মাত্র ১৭২ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থীকে হারিয়ে মেয়র পদে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম কবির মোল্লা। তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার ৫১৯ ভোট। বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান নাজিম উদ্দিন মঞ্জু পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৪৭ ভোট। ১৯৯৯ সালে ধামরাই পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মেয়র পদে ছিলেন দেওয়ান নাজিম উদ্দিন মঞ্জু।
রাজশাহী : রাজশাহীর ১৩টি পৌরসভার মধ্যে নয়টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। গোদাগাড়ী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনিরুল ইসলাম বাবু ১০ হাজার ৩৮৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ৬ হাজার ২৯৮ ভোট।
কাকনহাট পৌরসভায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আবদুল মজিদ ৫ হাজার ৮০৫ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রার্থী বিএনপির হাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৪০ ভোট।
মুন্ডুমালা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের গোলাম রাব্বানী ৬ হাজার ৪৫৫ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির ফিরোজ কবির পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৫ ভোট।
তানোর পৌরসভায় বিএনপির মিজানুর রহমান ৮ হাজার ৫৮৮ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম আওয়ামী লীগের ইমরুল হক পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৩৬ ভোট।
নওহাটা পৌরসভায় বিএনপির শেখ মো. মকবুল হোসেন ১২ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম আওয়ামী লীগের আব্দুল বারী পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৭৯ ভোট।
কাটাখালী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আব্বাস আলী ৬ হাজার ৬৮৯ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৩৭ ভোট।
কেশরহাট পৌরসভায় ৭ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান শহীদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী জামায়াত নেতা ডা. হাফিজুর রহমান আকন্দ পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৯৬ ভোট।
ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আব্দুল মালেক মন্ডল ৫ হাজার ২৫৪ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুর রাজ্জাক প্রামাণিক পেয়েছেন ৪ হাজার ৯০৩ ভোট।
আড়ানী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মুক্তার আলী ৫ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির তোজাম্মেল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৭১৬ ভোট।
পুঠিয়া পৌরসভায় বিএনপির আসাদুল হক আসাদ ৪ হাজার ৪০২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম আওয়ামী লীগের রবিউল ইসলাম রবি পেয়েছেন ৪ হাজার ২৩১ ভোট।
চারঘাট পৌরসভায় বিএনপির জাকিরুল ইসলাম ৭ হাজার ৫০২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম আওয়ামী লীগের নার্গিছ খাতুন পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৯৬ ভোট।
তাহেরপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ ৭ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু নঈম মো. সামসুর রহমান মিন্টু পেয়েছেন ৩ হাজার ১৮১টি ভোট।
দুর্গাপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত তোফাজ্জল হোসেন ৮ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হাসানুজ্জামান সান্টু পেয়েছেন ৪ হাজার ৭২৭ ভোট।
মাদারীপুর : মাদারীপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ ২০ হাজার ৭২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিজানুর রহমান মুরাদ পেয়েছেন ৫ হাজার ১৭৭ ভোট। শিবচর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মো. আওলাদ হোসেন খান ১০ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. তোফাজ্জেল হোসেন খান তোতা পেয়েছেন ৪৯১ ভোট।
কুমিল্লা : চান্দিনা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মো. মফিজুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১৮ হাজার ৯৭৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শাহ আলমগীর খান পেয়েছেন ২ হাজার ৩৫৭ ভোট।
বাগেরহাট : বাগেরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী খাঁন হাবিবুর রহমান ৯ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি মিনা হাসিবুল হাসান শিপন পেয়েছেন ৯ হাজার ৮২৭ ভোট। খাঁন হাবিবুর রহমান তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন।
এদিকে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে এস.এম মনিরুল হক তালুকদার আবারো মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে তিনি তৃতীয় বার মেয়র নির্বাচিত হলেন। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৮১৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল মজিদ জব্বার পেয়েছেন ১ হাজার ৩৯৩ ভোট।
পাবনা : ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ মিন্টু ২৬ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোখেলেছুর রহমান বাবলু পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৭২ ভোট। সুজানগরে আওয়ামী লীগের আব্দুল ওহাব ৬ হাজার ১৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তোফাজ্জল হোসেন তোফা। সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগের মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক ১২ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৮ হাজার ৮০ ভোট। ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের গোলাম হাসনায়েন রাসেল ৪ হাজার ৮৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ৩ হাজার ১১৫ ভোট। ফরিদপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের খ ম কামরুজ্জামান মাজেদ ৩ হাজার ৯৯৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এনামুল হক পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৫ ভোট।
টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের আটটি পৌরসভার সাতটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে টাঙ্গাইল পৌরসভায় জামিলুর রহমান মিরন ৪৯ হাজার ৫৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত মাহমুদুল হক সানু পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৪২ ভোট।
মধুপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খন্দকার মাসুদ পারভেজ ২২ হাজার ২৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সরকার সহিদুল ইসলাম সহিদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৫৩ ভোট। ধনবাড়ী পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন ১১ হাজার ৩৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এসএম ছোবাহান পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৪ ভোট।
গোপালপুরে আওয়ামী লীগের রকিবুল হক ছানা ২১ হাজার ৫২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২৮ ভোট।
ভূঞাপুরে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদ ৫ হাজার ৪৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল খালেক মন্ডল পেয়েছেন ৫ হাজার ২৯৫ ভোট।
কালিহাতী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আনছার আলী বিকম ৭ হাজার ৪৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলী আকবর জব্বার পেয়েছেন ৯ হাজার ৪১৯ ভোট।
মির্জাপুরে আওয়ামী লীগের সাহাদৎ হোসেন সুমন ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হযরত আলী পেয়েছেন ৪ হাজার ৫০৫ ভোট।
সখীপুরে আওয়ামী লীগের আবু হানিফ আজাদ ৯ হাজার ৬৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির-বিদ্রোহী প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন সজীব পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৯৯ ভোট।
কুষ্টিয়া : জেলার পাঁচটি পৌরসভার পাঁচটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর বিজয় হয়েছে। কুষ্টিয়া সদর পৌরসভায় ৬৭ হাজার ২২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বর্তমান মেয়র আনোয়ার আলী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কুতুব উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১২৮ ভোট। ভেড়ামারা পৌরসভায় বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীমূল ইসলাম ছানা ৭ হাজার ৪৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদের প্রার্থী আব্দুল আলীম স্বপন মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭০৭ ভোট। মিরপুর পৌরসভাতেও বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী এনামূল হক ৯ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা আবুল হাশেম ১ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়েছেন। আর বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আজিজ খান পেয়েছেন ১ হাজার ৪৫৯ ভোট। কুমারখালী পৌরসভায় বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামসুজ্জামান অরুন ৮ হাজার ৪৩৩ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তরিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ৭১৩ ভোট। খোকসা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের তারিকুল ইসলাম তারিক ৭ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আল মাসুম মোর্শেদ শান্ত ৩ হাজার ২৬৭ ভোট পেয়েছেন।
কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আবদুল জলিল নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৮ হাজার ৭১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নূর ইসলাম নুরু ১৫ হাজার ১৪৪ ভোট পেয়েছেন।
শরীয়তপুর : শরীয়তপুরের পাঁচটি পৌরসভাতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। শরীয়তপুর পৌরসভায় বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম, ভোট পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯৯১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ভোট পেয়েছেন, ৩ হাজার ৬৮১। জাজিরায় আওয়ামী লীগের মো. ইউনুছ বেপারী ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রার্থী স্বতন্ত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৮০০ ভোট।
নড়িয়ায় হায়দার আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬ হাজার ১৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৬৫ ভোট। ডামুড্যায় আওয়ামী লীগের হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৬৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলমগীর মাদবর পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৭ ভোট।
ভেদরগঞ্জে আওয়ামী লীগের আব্দুল মান্নান হাওলাদার ৩ হাজর ৩৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বি এম মোস্তাফিজ পেয়েছেন ১ হজার ২৭১ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা : আলমডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাসান কাদির গণু ৭ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মীর মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৫ হাজার ১৯০ ভোট। দর্শনায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মতিয়ার রহমান ১১ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা আশকার আলী পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৫৯ ভোট।
আওয়ামী লীগের ৯ বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী
মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ছয় হাজার ৯৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাত হাজার ১১৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৮০১ ভোট। জেলার ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. আবদুস ছাত্তার সাত হাজার ২১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ছয় হাজার ৬৬৩ ভোট। ত্রিশাল পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এ বি এম আনিছুজ্জামান মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি সাত হাজার ১১৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৮০১ ভোট।
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. আবদুল কাইয়ুম ১০ হাজার ১৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী মামুন পেয়েছেন চার হাজার ৯১৬ ভোট পেয়েছেন।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোজাফফর হোসেন বাবলু সাত হাজার ৫৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুস শুক্কুর শেখ পাঁচ হাজার ৭৭৯ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলহাজ শফি আলম ইউনুছ চার হাজার ২৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদ পেয়েছেন চার হাজার ১৭৪ ভোট।
নেত্রকোনার মদন পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবদুল হান্নান তালুকদার ওরফে শামীম তিন হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মাশরিকুর রহমান ওরফে বাচ্চু। তিনি পেয়েছেন এক হাজার ৭৪৮ ভোট।
জীবননগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ৬ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নোয়াব আলী পেয়েছেন ৩ হাজার ২৪ ভোট।
বিএনপির ৭ প্রার্থী জয়ী
হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আবারও জয়ী হয়েছেন কারাবন্দি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জি কে গউছ। তিনি ১০ হাজার ৭৯৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন নয় হাজার ২৬৪ ভোট। এ ছাড়া জেলার নবীগঞ্জ পৌরসভায় বিএনপি প্রার্থী ছাবির আহমদ চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ছয় হাজার ৫২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. তোফাজ্জল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন তিন হাজার ৭৭৩ ভোট।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌরসভায় বিএনপির মো. শহিদুল ইসলাম নয় হাজার ২৪১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির মো. আতাউর রহমান লেলিন পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৪১৫ ভোট। জেলার ফুলপুর পৌরসভায় বিএনপি মনোনীত মো. আমিনুল হক মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৮৩৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী শশধর সেন পেয়েছেন তিন হাজার ৮৯২ ভোট।
পঞ্চগড় পৌরসভা নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. তৌহিদুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১৩ হাজার ৮৬৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত জাকিয়া খাতুন পেয়েছেন ছয় হাজার ৭৯৮ ভোট।
নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভায় মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী ফাহমিদ ফয়সাল কমেট নয় হাজার ৬৫৪ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইলিয়াস হোসেন বাবলু পেয়েছেন সাত হাজার ৫৪১ ভোট।
পাবনার চাটমোহরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মির্জা রেজাউল করিম দুলাল ৩ হাজার ৫৩৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রফেসর আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ২ হাজার ৯০৩ ভোট।
জাতীয় পার্টির একজন জয়ী
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভায় জাতীয় পার্টি মনোনীত আবদুর রহমান লাঙল প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মোহম্মদ হোসেন ফাকু নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৯০৫ ভোট।
চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম জিরে ছয় হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল। তিনি পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৬০৯ ভোট।
খাগড়াছড়ি পৌরসভায় নয় হাজার ৪১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল আলম। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শানে আলম পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৫৩৭ ভোট।
পাবনা সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল হাসান মিন্টু ৩০ হাজার ৪৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের রকিব হাসান টিপু পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬৫৪ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা সদর পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান চৌধুরী ওরফে জিপু চৌধুরী ২৪ হাজার ৯৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার পেয়েছেন ১০ হাজার ৫৬ ভোট।
এ ছাড়া কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তারিক আবুল আলা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৭ হাজার ৭৬৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাজাদুর রহমান সাজু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৮ ভোট। এই পৌরসভায় দুইটি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে। স্থগিত কেন্দ্র দুটির মোট ভোটের সংখ্যা ৩ হাজার ৮৯৮।
অন্যদিকে কালকিনি পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মশিউর রহমান সবুজ ৫ হাজার ৬৬১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৮০৪ ভোট। আওয়ামী লীগের প্রার্থী পেয়েছেন ৪ হাজার ৫০১ ভোট। দুটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত রয়েছে। কেন্দ্র দুটির মোট ভোটার ৩ হাজার ৮৮৩ জন।


