বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

শিক্ষকদের বেতন-আন্দোলন নিয়ে সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

pm-dddমন্ত্রিসভার বৈঠকবেতন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকের পর বেতন বৈষম্য নিরসন সংশ্লিষ্ট সচিবদের সঙ্গে এই বৈঠক করেন তিনি।

এর আগে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের দাবি-দাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জাতীয় বেতন স্কেলের নতুন কিছু সংযোজন ও বিয়োজন হওয়ায় একাধিক মন্ত্রী বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দুজন মন্ত্রী এই সংবাদ নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, মন্ত্রিসভার বৈঠকের নির্ধারিত এজেন্ডার বাইরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষদের বেতন ভাতা ও দাবি নিয়ে আন্দোলন নিয়ে কথা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রথম আলোচনার সূত্রপাত ঘটান। পরে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

বেতন-ভাতা বৈষম্য নিরসন সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির অন্যতম সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, শিক্ষদের দাবি দাওয়া নিয়ে আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তাদের সঙ্গে আলোচনায় আমরা বেশিরভাগ সিদ্ধান্তে একমত হয়ে একটি সিদ্ধান্তেও এসেছিলাম। কিন্তু বেতন স্কেলের যখন গেজেট প্রকাশ করা হয় সেখানে অর্থমন্ত্রী বেশকিছু জিনিস ওলট-পলট করেন। যার কারণে আজকের এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

এ সময়ে শিক্ষামন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী উষ্মা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার বেতন ভাতা দ্বিগুণেরও বেশি করেছি। তারপরেও কেনও ক্ষোভ থাকবে? এটি আমারও প্রশ্ন। অধ্যাপক সম্মানীয় একটি পদ। এরপরেও তারা কেনও জয়েন্ট সেক্রেটারি, সেক্রেটারি হতে চান বুঝি না। তাদের (বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) যদি এতই আকাঙ্খা থাকে তাহলে তাদের চাকরির বয়স ৬৫ থেকে কমিয়ে সচিবদের মতো ৫৯ করে দেই। শিক্ষকতার বাইরে অনেকে পার্ট টাইম বিভিন্ন স্থানে ক্লাস নিয়ে থাকেন। সচিবদেরতো ৯টা-৫টার বাইরেও অনেক কাজ করতে হয়। শিক্ষকরা কতক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকেন সেটাও দেখা দরকার।’

পরে প্রধানমন্ত্রী গ্যাজেটে হেরফেরের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কমিটিকে বলেন।

আরও পড়ুন