বর্তমান দশম সংসদ নির্বাচনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ৫ জানুয়ারিতে রাজধানীতে জনসভার অনুমতি না দেয়া হলেও বিএনপি কোনো সাংঘর্ষিক কর্মসূচিতে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, পাঁচ তারিখে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও নয়াপল্টনের যে কোনো এক জায়গায় জনসভা অনুষ্ঠানের অনুমতি চেয়েছে বিএনপি। আমরা আশা করছি গণতন্ত্রের স্বার্থে সরকার এ অনুমতি দেবে। তারপরও তারা যদি অনুমতি না দেয়, তাহলে বিএনপি কোনো সাংঘর্ষিক কর্মসূচিতে যাবে না।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল। এই দল কোনো সাংঘর্ষিক কর্মসুচিতে যাবে না। গণতন্ত্রের স্বার্থে সবার বিএনপিকে সহযোগিতা ও সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া উচিত। বিএনপি একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছে। এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবেই অনুমতি চেয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র এ নেতা আরও বলেন, সরকারের যদি গণতন্ত্রের প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধা থাকে তাহলে তারা এই বিষয়কে ইস্যু করবে না।
সরকার গুম, হত্যা, মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার এখনো বন্ধ করেনি বলেও এ সময় দাবি করেন তিনি।
এ সময়ে রাজধানীর রূপনগরে আল আমিন নামে এক বিএনপি নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করে এ হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করেন মির্জা ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনকে বিদেশের কোনো দেশ স্বীকৃতি দেয়নি। এ দেশের জনগণও মেনে নেয়নি। তাই আমরা গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে সমাবেশ করতে চাই। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে চাই। কিন্তু সরকার এর বিরুদ্ধে কথা বলতে না দিয়ে বিষয়টিকে ইস্যু করতে চায়। আমি মনে করি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, মো. শাহজাহান, নিহত আল আমিনের পরিবারের সদস্য এবং বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


