বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

যশোর কারাগারে তিন আসামির ফাঁসি কার্যকর

jessore fashi_1076মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আরেফ আহমেদসহ দলের পাঁচ নেতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ী তিন আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১ মিনিটে  প্রথমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী হাবিব ও আনোয়ারের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

পরে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে আরেক আসামী ঝন্টুর ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ ছাড়া ডিআইজি (প্রিজন) টিপু সুলতান ফাঁসি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে তিনজনের ফাঁসি কার্যকরের জন্য বুধবার বিকালে ফাঁসির মঞ্চে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (কারা) টিপু সুলতান ও কারগারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফাঁসির মঞ্চ পরিদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফাঁসির আসামি রাশেদুল ইসলাম ঝন্টুর পরিবারের ২জন সদস্য ও আনোয়ার হোসেনের পরিবারের ৬ সদস্য শেষ সাক্ষাত করেন।

রাতে কারাগারে প্রবেশ করেন যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, সিভিল সার্জন শাহাদাত্ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল হাসান। রাতে তিন আসামিকে গোসল করানোর পর তাদের তওবা পড়ান কারা মসজিদের ইমাম রমজান আলী। রাতে স্বজনদের সাথে শেষ সাক্ষাতের পর তাদের খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর তাদেরকে রায় পড়ে শোনানো হয়। নিম্ন আদালতের রায়, আপিল এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমার আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার বিষয়টি তাদের জানানো হয়। এরপর তাদেরকে জমটুপি পড়িয়ে ফাঁসির মঞ্চে নেয়া হয়।

তাদের ফাঁসি কার্যকর করেন জল্লাদ তানভীর হাসান রাজু ও হযরত আলী। ফাঁসি কার্যকরের জন্য দু’দিন আগেই তাদেরকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে যশোরে নিয়ে আসা হয়।

তিনজনের লাশ শুক্রবার সকাল সাতটায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হস্তান্তর করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জেল সুপার শাহজাহান আহমেদ।

আরও পড়ুন