বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

পে স্কেলে অসন্তোষ: আন্দোলন তীব্র হচ্ছে

পে স্কেলে অসন্তোষo আন্দোলনে ১০ লাখ চাকরিজীবী

o সোমবার থেকে ৩৭ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা নেয়া বন্ধ

o প্রকৃচি-২৬ ক্যাডার কর্মকর্তাদের সোমবার থেকে ২ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি

o ১৫ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের গণছুটি কর্মসূচি

পে-স্কেলে বৈষম্য ও অমর্যাদার প্রতিবাদসহ বিভিন্ন দাবিতে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষক, চিকিৎসক ও প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী। প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি শুক্রবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে বৈঠক করেছে। সেখানে মোর্চাভুক্ত বিভাগীয় সংস্থা প্রধান ও সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্য ক্যাডার, সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ১০ লাখ চাকরিজীবী তাদের অধিকার আদায়ে এ মুহূর্তে আন্দোলনে আছেন। কয়েকদিন ধরে অবস্থান ধর্মঘট, গণজমায়েত, কর্মবিরতি ইত্যাদি কর্মসূচি পালন করছেন। সমস্যার সমাধান না হলে চলতি সপ্তাহে তাদের এ আন্দোলন আরও তীব্র হতে পারে।

ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা ১১ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। একইদিন থেকে দৈনিক ২ ঘণ্টা কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন প্রকৌশলী, চিকিৎসক, কৃষিবিদরা। তাদের সঙ্গে অভিন্ন কর্মসূচি পালন করবেন প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ক্যাডার সার্ভিসের বাকি সব কর্মকর্তা। বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদও (বাসসকপ) ১১ থেকে ১৭ জানুয়ারি প্রতিদিন ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করবে। এছাড়া রাজধানীর চারটি দফতরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করবে তারা। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ১৫ জানুয়ারি থেকে গণছুটিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও অসন্তুষ্ট। এমপিওভুক্ত (বেতনের সরকারি অংশ) পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষকের মধ্যেও অসন্তোষ আছে। যারা আন্দোলনে আছেন, তাদের মধ্যে প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসকসহ ২৬ ক্যাডারের প্রায় ১ লাখ চাকরিজীবী, নন-ক্যাডার কর্মকর্তা প্রায় সাড়ে ৩ লাখ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষক এবং প্রজাতন্ত্রের প্রায় ৫ লাখ কর্মচারী ও ব্যাংক, বীমা ও স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ চাকরিজীবী আছেন। অষ্টম পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ দ্বিগুণ পর্যন্ত বেতনভাতা বেড়েছে। এ কারণে সুবিধাপ্রাপ্তদের সঙ্গে এই ১০ লাখ চাকরিজীবীর সন্তুষ্ট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা কারণে সৃষ্টি হয়েছে অসন্তুষ্টি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ক্ষোভের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে- সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিলের সিদ্ধান্ত। প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া বাকি চাকরিজীবীদের পদোন্নতি অনেকটাই অনিয়মিত। সরকারের অনেক বিভাগে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে পদ অপেক্ষাকৃত কম। এ কারণে একই ব্যক্তিকে এক পদে বছরের পর বছর দায়িত্ব পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের ‘পদোন্নতি-দুঃখ’ মোচন করা হতো সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল দিয়ে। এই দুটি সুবিধা দেয়ার ফলে পদমর্যাদা না পেলেও চাকরিজীবীরা আর্থিক সুবিধা পেতেন। ফলে এই দুটি সুবিধা বাতিল করায় লাখ লাখ চাকরিজীবীর পদমর্যাদার পাশাপাশি আর্থিক সুবিধাবঞ্চিত হওয়ার রাস্তা তৈরি হয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্টরা শুরু থেকেই প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ শিক্ষকরা খুবই সোচ্চার ছিলেন। তারা আন্দোলনের পাশাপাশি সরকারের সিনিয়র মন্ত্রীদের বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করে সফল হন। গত ৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভায় পে-স্কেল অনুমোদনকালে মন্ত্রীরা বিষয়টি উত্থাপন করেন। এটি আমলে নিয়ে সিনিয়র মন্ত্রীদের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সমস্যা চিহ্নিত করে সুপারিশ করার কথা ছিল। মন্ত্রিসভা কমিটি গত ১ নভেম্বর বৈঠক করে। কথা ছিল, কমিটি সংক্ষুব্ধদের সঙ্গে বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করবে। কিন্তু তার আগেই অর্থ মন্ত্রণালয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করে। এ কমিটির একমাত্র বৈঠকে যেসব সুপারিশ কর হয়েছিল, তার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনে।

গত ৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে কয়েকজন সিনিয়র মন্ত্রী এ অভিযোগ উত্থাপন করেন। এছাড়া পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনের ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন বিষয়ে আইনগত মতামত (ভেটিং) দিয়েছিল। কিন্তু প্রজ্ঞাপনে সেগুলোর অধিকাংশই উপেক্ষিত হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে অবহিত হয়ে অর্থমন্ত্রী সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেলের বিকল্প সুপারিশ করেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

সূত্র জানায়, ১৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে ২২ নভেম্বর সার-সংক্ষেপ আকারে বিকল্প ফর্মুলা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনও করেন অর্থমন্ত্রী। সংক্ষুব্ধ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী ২৭ নভেম্বর অনুমোদন করেছেন; যা বাস্তবায়নের জন্য অর্থমন্ত্রী নির্দেশনাও দিয়েছেন। কিন্তু প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে তার কোনো প্রতিফলন হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এ বিকল্প বাস্তবায়ন করা হলে সংক্ষুব্ধ মানুষের সংখ্যা অনেক কমে যেত। আন্দোলনের আরেকটি কারণ হচ্ছে, ক্যাডার ও নন-ক্যাডার বৈষম্য। পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনে ক্যাডার কর্মকর্তার চাকরিতে প্রবেশ পদ অষ্টম গ্রেড আর নন-ক্যাডার নবম গ্রেড করা হয়েছে। ড. ফরাসউদ্দিনের পে-কমিশন ও সচিব কমিটিসহ কোনো কমিটিই এমন সুপারিশ করেনি। এমনকি ৭ সেপ্টেম্বরের মন্ত্রিসভা কমিটিতে পে-স্কেল অনুমোদনকালেও এ বিষয়টি ছিল না। কিন্তু চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনে এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পে-স্কেল এমনভাবে করা হয়েছে, প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া আর কোনো ক্যাডারের কর্মকর্তারা চতুর্থ গ্রেডের উপরে উঠতে পারবেন না। এমনকি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের পদে পর্যন্ত বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদায়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি হবে। এভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়েই রয়েছে অসঙ্গতি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৈষম্য নিরসন এবং নানা দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় ৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তিন সিনিয়র সচিবকে নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রধানমন্ত্রী পে-স্কেলের সমস্যা চিহ্নিত করে সুপারিশ করার জন্য এসব সিনিয়র সচিবকে দায়িত্ব দেন। এরপরই মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে চারজন সচিব বৃহস্পতিবার বিকালে প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির ৬ সদস্যের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রবেশ পদের বৈষম্য নিরসন এবং সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেলের বিকল্প হিসেবে সব ক্যাডার ও পেশায় পদ আপগ্রেডেশন, পদ সৃষ্টি ও পদোন্নতির সোপান গতিশীল সংক্রান্ত সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত হয়।

আন্দোলনকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় মোর্চা প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি (২৬ ক্যাডার)। তারা গত সপ্তাহজুড়ে আন্দোলন করেছেন। আগামী ১১ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক দু’ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করবেন প্রকৃচি (প্রকৌশলী, চিকিৎসক, কৃষিবিদ) এবং অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা। প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির সদস্য ও বিসিএস তথ্য ক্যাডারের মহাসচিব স ম গোলাম কিবরিয়া জানান, ‘সচিব কমিটির সঙ্গে আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখব। পাশাপাশি আলোচনাও চলবে।’

এদিকে প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি শুক্রবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউটে বৈঠক করেছে। সেখানে মোর্চাভুক্ত বিভাগীয় সংস্থা প্রধান ও সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে সমন্বয় কমিটির সদস্য ও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব আইকে সেলিমউল্লাহ খোন্দকার বলেন, ‘১১ জানুয়ারি থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া সচিবদের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে, সে ব্যাপারে নেতৃবৃন্দকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বিপরীত দিকে নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে সব ক্যাডার ও বিভাগকে রোববারের মধ্যে নিজ নিজ অর্গানোগ্রাম জমা দিতে বলা হয়েছে। কেননা সচিবরা পদোন্নতির সোপান উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। সেটার জন্য বিভাগগুলোর অর্গানোগ্রাম জরুরি। আলোচনায় আমরা এটা নিয়ে যাব।’

আন্দোলনকারীদের আরেকটি মোর্চা হচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের দাবি মোট ৫টি। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের আনুপাতিক হারে সিনিয়র সচিবের সমান বেতনভাতা দেয়া।

ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, ৬ ডিসেম্বর আলোচনায় অর্থমন্ত্রী তিনটি অঙ্গীকার করেন। তার একটিও তিনি বাস্তবায়ন করেননি। উপরন্তু সপ্তম পে-স্কেলে প্রাপ্য সুবিধা কেটে নেয়া হয়েছে। আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট অধ্যাপকের ২৫ শতাংশ সিলেকশন গ্রেড পেয়ে গ্রেড-১-এ যেতে পারতেন। কিন্তু অষ্টম পে-স্কেলে সেই সুযোগ রাখা হয়নি। যদিও বলা হচ্ছে, এ ব্যাপারে মন্ত্রিসভা কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু সেখানেও মন্ত্রীরা সুপারিশ করেননি এমন কিছু ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এ শিক্ষক নেতা আরও জানান, এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা আন্দোলনে নেমেছেন। ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার থেকে তারা বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন। অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, এ সংকটের জন্য কতিপয় আমলা দায়ী।

এদিকে সরকারি কলেজের শিক্ষকরাও (বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা) অষ্টম পে-স্কেলে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। প্রজ্ঞাপন বহাল রাখা হলে চতুর্থ গ্রেড থেকেই তাদের অবসরে যেতে হবে। অথচ সপ্তম পে-স্কেলেও অধ্যাপকদের ৫০ শতাংশ অধ্যাপক সিলেকশন গ্রেড পেয়ে গ্রেড-৩-এ যেতে পারতেন। তাই পদ অবনমনের প্রতিবাদে গত ৪ ও ৫ জানুয়ারি পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন এসব শিক্ষক।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব আইকে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার জানান, দাবি পূরণ না হলে ২২ জানুয়ারি সমিতির সাধারণ সভায় শিক্ষকরা নতুন কর্মসূচি দেবেন। এছাড়া প্রকৃচি ও বিসিএস সমন্বয় কমিটির সঙ্গেও আমাদের আন্দোলন চলবে।

নন-ক্যাডারদের কর্মসূচি : ১১ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করবেন নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদ (বাসসকপ) এ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। এছাড়া এসব কর্মকর্তা প্রতিদিন এলজিইডি, বিএডিসি, ডেসা ও সিজিএ ভবনে মানববন্ধন এবং সমাবেশ করবেন। এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে ১৭ জানুয়ারি ডেসা ভবনে মহাসমাবেশ থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

আরও পড়তে পারেন:

0 পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন গলার কাঁটা: মুক্তিতে বৈঠক চলছেই

o পে স্কেল: প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বৈষম্য সমাধানে তালগোলে অর্থসচিব

o বেতন কাঠামোয় অসন্তোষে মুখ খুলল অর্থ মন্ত্রণালয়

o পে স্কেলে আমলে নেয়া হয়নি প্রচলিত বিধি, আইন ও সুপারিশ

আরও পড়ুন