নিখোঁজ হওয়া মৎস্য অধিদপ্তর তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারী সমিতির সভাপতি নাজমা বেগমকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে। রাজধানীর মৎস্য ভবন থেকে বৃহস্পতিবার বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তিনি। শনিবার অসুস্থ অবস্থায় দুপুরে তাকে তার দক্ষিণ বনশ্রীর বাসায় নিয়ে যান এলাকারই এক মহিলা।
মৎস্য অধিদপ্তরে কর্মরত উচ্চমান সহকারী নাজমা বেগমের (৫০) মেয়ে রাবেয়া সুলতানা সুমি শনিবার রাতে বলেন, এক মহিলার সহায়তায় দুপুরে তার মা বাসায় যান। এসময় তিনি প্রায় আচেতন ছিলেন; কথা বলতে পারছিলেন না।
“ওই মহিলা তার বাসা থেকে একটু দূরে গলির মাথায় মাকে পান বলে জানিয়েছেন। তবে মা সেখানে কীভাবে আসেন বা কারা সেখানে তাকে ফেলে যায় তা জানতে পারিনি। মা কথা বলতে পারছেন না; আটকে যাচ্ছে।”
তাকে পাওয়ার পরপরই চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয় জানিয়ে সুমি বলেন, “ডাক্তার মাকে দেখে ওষুধ দিয়েছেন এবং কয়েকদিন পুরো বিশ্রাম থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।”
নাজমা বেগম নিখোঁজ হওয়ার পর রমনা থানায় করা অভিযোগের তদন্ত করছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফ হোসেন।
তিনি বলেন, “নাজমা বেগমকে পাওয়া গেছে এবং তিনি এখন অসুস্থ। সুস্থ হলেই তার সাথে দেখা করে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব।”
গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে অফিস থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন নাজমা বেগম। রাতে বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরদিন শুক্রবার তার একমাত্র ছেলে নজরুল ইসলাম রমনা থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন।
নাজমা বেগম তার মেয়ে সুমিকে নিয়ে বনশ্রীর ভাড়া বাসায় থাকেন। তার ছেলে নজরুলও মৎস্য অধিদপ্তরে চাকরি করেন; তার কর্মস্থল চাঁদপুরে।
নজরুল জানান, তার বাবা আব্দুস সাত্তারও মৎস্য অধিদপ্তরে চাকরি করতেন। তিনি ১৯৮৯ সালে মারা যান। এরপর মৎস্য অধিদপ্তর মানবিক কারণে তার মাকে চাকরি দেয়।


