বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ত্রিপুরার বিদ্যুৎমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

PM_Tripura-Ministerত্রিপুরার বিদ্যুৎ, নগর ও পল্লী উন্নয়ন এবং পরিবহন বিষয়ক মন্ত্রী মানিক দে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন।

রোববার গণভবনে সৌজন্য এ সাক্ষাৎপর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরে ‘ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কোনোভাবেই বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেওয়ার’ কথা ত্রিপুরার মন্ত্রীর কাছে পুনর্ব্যক্ত করেন।

শেখ হাসিনা ত্রিপুরা থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আনার বিষয়টি চূড়ান্ত এবং ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম সাড়ে ৬ টাকা নির্ধারিত হওয়ায়ও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

শনিবার ত্রিপুরার বিদ্যুৎমন্ত্রী ও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় এ দাম নির্ধারিত হয়।

গত ডিসেম্বরেই এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা ছিল। এজন্য এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

ত্রিপুরার বিদ্যুৎ আনতে সব আনুষ্ঠানিকতা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলেও প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আরও বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তার কথা জানালে ত্রিপুরার বিদ্যুৎমন্ত্রী কুমিল্লা সীমান্তের কাছে ত্রিপুরার মনারচরে রাজ্য সরকারের করা আরও একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কাজ শুরুর কথা উল্লেখ করেন।

২০১২ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার ত্রিপুরা সফরের কথা উল্লেখ করে মানিক দে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী এসময় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্তে বর্ডার হাটের কথা উল্লেখ করে বলেন, এর মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও গতিশীলতা পেয়েছে।

দেশব্যাপী একশ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশকে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান’ বলেও উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের জনগণ ও সরকার এবং বিশেষ করে ত্রিপুরার জনগণ ও রাজ্য সরকারের সহায়তার কথা প্রধানমন্ত্রী এসময় স্মরণ করেন। তিনি ১৯৬৫ সালের পর দু’দেশের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া রেলরুটগুলো পুনরায় চালু করার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন