রবিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বিশেষ নিউজ

বাংলাদেশ সীমান্তেও লেজার দেয়াল বসাবে ভারত


NEWSWORLDBD.COM - January 18, 2016

Laser-wallভারতের পূর্ব-পশ্চিমে অর্থাৎ বাংলাদেশ-পাকিস্তান সীমান্তে লেজার দেয়াল তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। দেশটির বেশিরভাগ সীমান্ত কাঁটাতারে সুরক্ষিত থাকলেও পার্শ্ববর্তী এ দুই দেশের প্রায় ৪০টি পয়েন্ট একেবারেই অরক্ষিত- না আছে বেড়া, না আছে সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী (বিএসএফ)। মূলত এ অঞ্চলগুলো জলাশয় (নদী-খাল-বিল) প্রধান হওয়ায় এসব অঞ্চলে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। অথচ এ দুই দেশের সীমান্তপথেই ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটছে। চোরাচালানও বাড়ছে। তাই জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে এবার সীমান্তলাগোয়া নদী ও খালগুলোতে লেজার দেয়ালের ব্যবস্থা করতে চলেছে ভারত।

পাঠানকোটে জঙ্গি হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। রোববার টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

পাঠানকোটে হামলার আগে বামিয়ালের উজ নদী পেরিয়েই ভারতে প্রবেশ করছিল জঙ্গিরা। এ ধরনের ছোট ছোট খাল বা নদীর বেশিরভাগই পাঞ্জাব সীমান্তে। গুরুদাসপুর, পাঠানকোট হামলার পর আর কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছে না সরকার। অনুপ্রবেশ রুখতে তাই এ ধরনের লেজার প্রযুক্তির সাহায্য নেবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

পাকিস্তান থেকে পাঞ্জাব সীমান্তে যেমন রাতের অন্ধকারে জঙ্গি অনুপ্রবেশ চলছে, তেমনি বাংলাদেশ থেকে সম্প্রতি এসব অরক্ষিত পথেই অনুপ্রবেশ বেড়ে গেছে।

লেজার দেয়ালের কাজ কী? দেয়ালের পাশে কোনো কিছু এলেই সেটা চিহ্নিত করবে ডিটেক্টরের মাধ্যমে। এছাড়া সীমান্তলাগোয়া নদীতেও লেজার রশ্মির ব্যবস্থা থাকবে। নদী পেরিয়ে যদি কেউ অনুপ্রবেশ করতে যায়, ওই লেজার রশ্মিই জানান দেবে সাইরেন বাজিয়ে।

জম্মু সেক্টরে ২০১৫তেই এ ধরনের দেয়ালের কাজ শুরু করে দিয়েছে বিএসএফ। আর কাঁটাতার টপকে নয়, এখন রাতের অন্ধকারে অরক্ষিত নদী-খালগুলোকেই ব্যবহার করছে জঙ্গিরা। পাঞ্জাব সীমান্তে এ ধরনের ছোট ছোট অনেক নদী বা খাল আছে, যেগুলোকে এ প্রযুক্তির আওতায় এনে জঙ্গি অনুপ্রবেশ বন্ধ করার পাশাপাশি রাতেও ওই নদীগুলোতে পাহারার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ 'লাইক' করতে পারেন (এই লাইনের নিচে দেখুন)...






-

Editor & Publisher: M. Arman Hossain

NEWSWORLDBD.COM
email: [email protected]
Phone: +8801787506342

©Titir Media Ltd.
News & Editorial: 39 Mymensingh Lane, Banglamotor
Dhaka-1205, Bangladesh.