বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাব ভারসাম্যে (ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট) বড় উদ্বৃত্ত ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত ‘এই’ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক লেনদেন ভারসাম্যের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল প্রায় অর্ধেক; ৫৮ কোটি ২০ লাখ ডলার।
চলতি হিসাবের ভারসাম্য বা ব্যালেন্স অফ পেমেন্টে ১৬৫ কোটি ডলারের বড় ঘাটতি (ঋণাত্মক) নিয়ে শেষ হয়েছিল গত অর্থবছর। তবে নতুন অর্থবছরের শুরুতেই উদ্বৃত্তে ফেরে বাংলাদেশের অর্থনীতি।
গভর্নর আতিউর রহমান বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও খাদ্যপণ্যের দাম কমায় বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় কমেছে। পাশাপাশি বেড়েছে রপ্তানি আয়। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সও বাড়ছে। এ কারণেই ‘স্বস্তিদায়ক’ এই উদ্বৃত্তি।
নিয়মিত আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য আয়-ব্যয় চলতি হিসাবের অন্তর্ভুক্ত। এই হিসাব উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হল, নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়।


