হাতে সময় আর এক সপ্তাহ। এরপরই যুব বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে। ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের চারটি ভেন্যুতে বসছে আসর। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে এরই মধ্যে ১৫টি দল ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।
যুব বিশ্বকাপের স্বাগতিক অর্গানাইজিং কমিটির পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, কানাডা, স্কটল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে ও নেপাল বুধবার ঢাকায় এসে পৌঁছায়। শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড এসেছে মঙ্গলবার রাতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবশ্য বেশ কিছুদিন আগেই এসেছে। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে তিন ম্যাচের একটি সিরিজ খেলেছে।
ঢাকায় পৌঁছেই দলগুলো নিজেদের আশাবাদের কথা জানিয়েছে। ভারতের অধিনায়ক ইশান কিশানের স্বপ্ন শিরোপা জয়ের। বুধবার বিকেলে রাজধানীর এক হোটেলে তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ভারত যে শিরোপা জিতেছিল, আমরা সেই প্রেরণা নিয়েই মাঠে নামব। তা ছাড়া দলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়ের মতো একজন সাবেক ক্রিকেটার। তাঁর কোচিংয়ে এবং দলের সব খেলোয়াড়ের চেষ্টায় আশা রাখি, এবারের শিরোপা আমারাই ঘরে তুলব।’
এর আগে কখনোই যুব বিশ্বকাপের শিরোপা জেতেনি শ্রীলঙ্কা। এবার সেই খরা ঘুচাতে চান শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আশালঙ্কা, ‘২০০০ সালে নিজেদের মাটিতে ফাইনালে ভারতের কাছে হেরে আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। আমরা এখনো শিরোপা জিততে পারিনি। এবার সেই খরা ঘুচিয়ে দেশে ফিরতে চাই। আশা করছি, সবকিছু ঠিকভাবে হলে চ্যাম্পিয়ন আমরাই হবো।’
১৬টি দল পাঁচটি গ্রুপে ভাগ হয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেটের চারটি ভেন্যুতে অংশ নেবে। নয়টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে সাতটি সহযোগী দেশ অংশ নেবে। সম্ভাব্য নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়া এ টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তাদের জায়গায় খেলছে আয়ারল্যান্ড।
টুর্নামেন্টের ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে আছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও স্কটল্যান্ড। ২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে আসরটি শুরু হবে।


