বাংলাদেশ থেকে তৈরী পোশাক, পাটজাত দ্রব্যসহ অন্যান্য পণ্য নেবার বিষয়ে আগ্রহী ইরানের ব্যবসায়ীরা। ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত আব্বাস বায়েজি চ্যানেল 24 এর সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে একথা জানান।
তিনি বলেন, সরাসরি পণ্য রপ্তানি না হওয়ার কারণে তৃতীয় দেশ থেকে আমদানি করতে হয় বাংলাদেশী পণ্য। এতে উভয় দেশই মুনাফা হারাচ্ছে। আর অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের সাথে বাণিজ্যিক সর্ম্পক সুদৃঢ় হলে লাভবান হবে বাংলাদেশ।
এক যুগের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বিশ্ব বাজারে ইরানের উপস্থিতি। ধারণা করা হচ্ছে, দেশটির হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্য বাড়বে।
ইরানের এই সুসময়ে লাভবান হতে পারে বাংলাদেশও। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়, প্রায় ৪শ’ কোটি টাকা। আর আমদানি মাত্র ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার। অর্থাৎ, বাংলাদেশের সাথে খুব বেশি জোরালো নয় দেশটির বাণিজ্য সম্পর্ক। তবে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায়; এই অবস্থাকে আরো উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার আশা করছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।
ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্বাস বায়েজি বলেন, ‘তৈরী পোশাক, পাটজাত দ্রব্য-সহ বাংলাদেশের অনেক পণ্যেরই ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ইরানে। কিন্তু যার বেশিরভাগ পণ্যই যায় তৃতীয় দেশ হয়ে। যদি এটা সরাসরি যায়, তবে আমরা লাভবান হবো।’
এরইমধ্যে দুদেশের মাঝে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বাড়াতে কাজ শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরনসহ বাংলাদেশে অবকাঠামো খাতে কাজ করতে চায়, ইরান।
দুদেশের পণ্য আনা নেয়া সহজ করতে, সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ওপর জোর দিলেন, এই অর্থনৈতিক বিশ্লেষক।
ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায়; প্রথম দিকে যারা পদক্ষেপ নেবে, তাদেরই লাভের হার বেশি। তাই এ ব্যাপারে দ্রুত কাজ করার আহ্বান, সিপিডির নির্বাহি পরিচালকের।


