বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

৩৭ গার্মেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে বিজিএমইএ

Garments1439561510পোশাক শিল্পে নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করতে ৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে বিজিএমইএ। ৩ হাজার ৬৬০টি কারখানা পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ন্যাশনাল এ্যাকশান প্ল্যান (ন্যাপ), এ্যাকর্ড, এ্যালায়েন্স এবং বিজিএমইএ’র সম্মিলিত উদ্যোগে ৩ হাজার ৬৬০টি কারখানা পরিদর্শন করে। এর মধ্যে ৩৭ কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে । বাকী কারখানাগুলো নিরাপদ হিসেবে পরিদর্শকরা নিশ্চিত হয়েছেন।

উলে­খ্য, ৩ হাজার ৬৬০টি পোশাক কারখানার মধ্যে ২ হাজার ৫০০টি পোশাক কারখানার তথ্যই ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। বেটার ওয়ার্ক কর্মসূচী চালু হয়েছে। ইতিমধ্যে এর আওতায় ৯৪টি কারখানা রেজিস্ট্রেশন করেছে।

কারখানা ভবনের নিরাপত্তা যাচাই করার জন্য বিজিএমইএ’তে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং টিম নিয়োজিত আছে। এই টিম এ পর্যন্ত ৯০০টি কারখানা ভবন পরিদর্শন করেছে এবং ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। উক্ত টিমের ছাড়পত্র ব্যতিরেকে কোন নতুন কারখানাকে বিজিএমইএ’র সদস্য করা হয় না।

এদিকে কলকারখানা অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নতুন করে ২৩৫ জন ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেওয়াসহ, অধিদপ্তরের বাজেট বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক অবকাঠামো ঢেলে সাজানো হয়েছে।

শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে ১৫ জুলাই ২০১৩ সালে শ্রম আইন সংশোধন হয়েছে। একই বছর থেকে ৩৩৭টি ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। আর ২০১৫ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর শ্রম বিধিমালা প্রণয়ন করা হয় এবং সেই অনুযায়ী রপ্তানি মূল্যের উপর ০ দশমিক ০৩ শতাংশ শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধু তাই নয় ২০১৩ সালের ১লা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদেরকে সর্বনিæ মজুরি ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে ( ৩০০০ টাকা থেকে ৫৩০০ টাকা )।
বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে তাদের সদস্যভূক্ত কারখানার নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানা ভবনের উপরস্থ জেনারেটরগুলো নিচে নামিয়ে এনেছে। একই সাথে তারা প্রকৌশলী দিয়ে ভবনের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ও লোড বিয়ারিং ক্যালকুলেশনের প্রতিবেদন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র কার্যালয়ে জমা দিয়েছে।

আরও পড়ুন