মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে সমর্থন করে বক্তব্য দেয়ায় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের রায়েরবাজারের বাড়ি ঘেরাও করা হয়েছে।
শনিবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ব্যানারে এ ঘেরাও করা হয়। এ সময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বাসার বাইরে ছিলেন।
যুবলীগ নেতা মেহেদীর নেতৃত্বে এ ঘেরাও করা হয় বলে দাবি বিএনপি ও গয়েশ্বরের পরিবারের। যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্মসূচি চলাকালে হাজারীবাগ থানা পুলিশও সেখানে উপস্থিত ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড’র ব্যানারে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের রায়েরবাজারের গদিঘর এলাকার বাসা ঘেরাও করে কিছু যুবক।
এ সময় ঘেরাওয়ের কারণ জানতে চাইলে বাড়ির কেয়ারটেকার শাহজাহানকে মারধর করা হয়। তাকে সরিয়ে বাসার দেয়ালেই ব্যানার টানিয়ে তারা গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
অবিলম্বে শহীদদের নিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে পরিণতি ভালো হবে না বলেও ঘেরাও কর্মসূচি থেকে হুমকি দেয়া হয়।
এ সময় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বাইরে থাকলেও তার অসুস্থ স্ত্রী ঝর্ণা রায় ও ছেলে অমিতাভ রায় বাসায় ছিলেন। ঘণ্টাখানেক পর আন্দোলনকারীরা চলে যান।
তবে বিকাল পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আমাদের অঙ্গীকার’ শীর্ষক ব্যানারটি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বাড়ির দেয়ালে টানানো ছিল।
হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আলীমুজ্জামান বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেন। কাউকে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ বলেন, ‘ঘন্টাখানেক পর আন্দোলনকারীরা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বাসার সামনে থেকে চলে যান। কিন্ত বিকাল পর্যন্ত স্থানীয় যুবলীগ নেতাকর্মীরা বাড়ির আশপাশে অবস্থান নেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।’


