বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন আহবান করা হয়েছে। সাংবাদিকদের কল্যাণে বর্তমান সরকারের নেওয়া এই উদ্যোগে অস্বচ্ছল বা বেকার যে কোনো সাংবাদিক আবেদন করতে পারবেন।
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আবেদন ফরম সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয় থেকে বিতরণ করা হবে। আবেদন ফরম বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) থেকে অফিস চলাকালিন যে কোনো কর্মদিবসে সংগ্রহ করা যাবে। অথবা এই ফরমটি ডাউনলোড করে জমা দিতে পারবেন।
আবেদনের স্বপক্ষে সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনের শেষ সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
অসহায়, দুস্থ ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের কল্যাণে গঠিত সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ১৩ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করেছে সরকার । তথ্যমন্ত্রী এই কল্যান ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিেসবে রয়েছেন তথ্য সচিব । এই ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রধান তথ্য অফিসার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মনোনীত মহাপরিচালক পদমর্যদার একজন প্রতিনিধি, অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব পদমর্যদার একজন প্রতিনিধি, পিআইবি মহাপরিচালক, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রেস), বিএফইউজের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল , মহাসচিব আবদুল জলিল ভুইয়া , ডিইউজের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ , সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন , নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন। ১২ জানুয়ারি তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এর আগে ২০১৪ সালে সংসদে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট নামে বিলটি পাশ হয়। বিলে বলা হয়েছে, “ট্রাস্ট গঠনের পর সরকার অনুদান হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে। সে অনুদান ছাড়াও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত অনুদান, গৃহীত ঋণ, ট্রাস্ট পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ থেকে আয়, ট্রাস্টের সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ এবং দেশি-বিদেশি অন্যান্য উৎস্য থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে ট্রাস্টের তহবিল গঠন করা হবে।”
আরও বলা হয়েছে, “এ ট্রাস্টের লক্ষ্য হবে অক্ষম ও অসমর্থ সাংবাদিকদের আর্থিক সাহায্য প্রদান, অসুস্থ সাংবাদিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিক ও তাদের সন্তানদের বৃত্তি প্রদান করা।”
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অসুস্থ, অসচ্ছল ও আহত সাংবাদিকদের এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত সহায়তা প্রদান ও তাদের কল্যাণের জন্য একটি স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে বিলটি আনা হয়েছে।”


