ঢাকাস্থ হাইকমিশনের প্রেস শাখার কর্মী আবরার আহমেদ খানের আটকের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে পাকিস্তান। রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে হাই কমিশন ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলে-সোমবার সকালে ১১টার দিকে ‘ডিবি’ লেখা জ্যাকেট পরা ৪-৫জন লোক হাইকমিশনের প্রেস শাখার সহকারী ব্যক্তিগত সচিব আবরার আহমেদ খানকে গুলশান-২ এ তার বাসার কাছ থেকে জোর করে ধরে নিয়ে যায়। তাকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছেড়ে দেয়া হয়।
থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আবরার হাইকমিশনকে জানান, ধরে নেয়ার পর গুলশান থানায় নেয়ার আগে তাকে হাতকড়া পড়িয়ে এবং চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে প্রায় ৪ ঘণ্টা ঘুরানো হয়। সে সময় ডিবির লোকজন বারবার তার কাছে ৫ কোটি টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে তাকে জাল ভারতীয় রুপির মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া এবং ‘ক্রসফায়ার’ দিয়ে নদীতে ‘ভাসিয়ে’ দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। পাকিস্তান হাইকমিশনের পক্ষ থেকে গুলশান থানায় যোগাযোগ করা হলে আবরার আহমেদ খানকে থানায় নেয়ার বিষয়টি জানায় পুলিশ।
ঘটনাটিকে ‘দু:খজনক’ আখ্যা দিয়ে হাই কমিশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাই কমিশন এ ঘটনাটিকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি ‘হয়রানী’ হিসাবেই দেখছে। যা সমাপ্তি হচ্ছে মানহানি এবং মিডিয়া ট্রায়েল। তাদের কর্মীকে থানায় নিয়ে যাওয়ার আগে সেখানে মিডিয়াকর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে প্রশ্ন তুলে হাই কমিশন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আরবার ২০১১সাল থেকে ঢাকায় রয়েছেন। তিনি প্রেস শাখায় সহকারী ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে কর্মরত।


