বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

আদালতের নির্দেশও দখলমুক্ত হয়নি চার নদী

River-Grabbing-Situationঢাকার চার নদীর পাড় দখলমুক্ত করে সীমানা বাঁধ দেওয়ার জন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি দীর্ঘ ছয় বছরেও। দখলদার হটিয়ে নদীর পাড়ে সীমানা বাঁধ দেওযার বাকি আছে অন্তত: ৯০ কিলোমিটার পথ। আর পরিবেশবিদরা বলছেন, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে অভিযান না চালালে সুফল আসার সম্ভাবনা কম।

ঢাকার চারপাশ ঘিরে চার নদী বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা। নদীতীরের অবৈধ দখল উচ্ছেদে, ২০০৯ সালে রায় দেয় আদালত। এতে বলা হয়, জরিপ শেষে সীমানা নির্ধারণের পর নির্মাণ করতে হবে বাধ। বনায়নের পাশাপাশি করতে হবে হাঁটার পথ।

এসব এলাকায় ২০১০ সাল থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে বিআইডব্লিওটিএ। কিন্তু উচ্ছেদ করা জায়গার, ২০ কিলোমিটারে বাধ দিতেই পার হয়েছে ছয় বছর। কিছু এলাকা উচ্ছেদের পর আবারও পড়েছে দখলদারদের হাতে।

অভিযানের গতি ও বর্তমান অবস্থা নিয়ে হতাশ পরিবেশকর্মীরা।

এছাড়া, সঠিক পরিকল্পনার অভাব ও উদ্দেশ্যহীনভাবে কাজ চলছে বলেই এর গতি এতো ধীর বলে মনে করেন তিনি। জানান, ভবিষ্যত কর্ম-পরিকল্পনা প্রকাশের দাবি।

এদিকে, উচ্ছেদের কাজ কবে শেষ হবে স্পষ্ট করে জানাতে না পারলেও, সঠিক পথে কাজ এগুচ্ছে বলে দাবি বিআইডব্লিওটিএ-এর।

৬ বছরে চার নদীর প্রায় ২৯৩ একর জমি উদ্ধারের দাবি করলেও, দখল হওয়া মোট জমির হিসেব নেই প্রতিষ্ঠানটির কাছে।

ঢাকার চারপাশের নদীগুলো বছরের পর বছর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দ্বারা এভাবেই অপদখলের শিকার হয়েছে। বিআইডব্লিওটিএর নেতৃত্বে চলছে অবৈধ দখল উচ্ছেদের কাজ। নদী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অবৈধ দখল উচ্ছেদের কাজ শেষ করে তা ধরে রাখার উপর নির্ভর করবে ঢাকার নদীগুলোর ভবিষ্যত।

আরও পড়ুন