রাজধানীর গুলশান ও এর পাশের এলাকার পয়োবর্জ্য বর্তমানে কীভাবে নিষ্কাশিত হয়- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ওয়াসার চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছে আদালত।
বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি জাফর আহমদের হাই কোর্ট বেঞ্চ জনস্বার্থে দুই আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার রুলসহ এ আদেশ দেয়।
রুলে গুলশান এলাকার লেকগুলোয় সুয়ারেজ ও অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা কেন দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিবেশ সচিব ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাত ও সীমা হায়দার চৌধুরী মঙ্গলবার রিট আবেদনটি করেন, যার ওপর বুধবার শুনানি হয়।রিট আবেদনকারীরা নিজেরাই শুনানিতে অংশ নেন।
তারা বলেন, গুলশান-বারিধারা ও গুলশান-মহাখালী লেকসমূহ পরিবেশগতভাবে বিপন্ন এলাকা হিসেবে সরকার ও আদালত কর্তৃক ঘোষিত হওয়ার পরও গুলশান ও বারিধারার স্যুয়ারেজের একটি বৃহৎ অংশ সরাসারি ড্রেনের মাধ্যমে গুলশান লেকসমূহে নিষ্কাশন করা হয়।
ফলে গুলশান লেক আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে ও এলাকার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। এটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।


