দেশে অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশী নাগরিকদের ছড়াছড়ি অবস্থা। কিন্তু তাদের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই সরকারের কোনো সংস্থার হাতে। নেই সঠিক কোনো পরিসংখ্যানও। আবার যারা বৈধভাবে আছেন তাদের বিষয়ে হালনাগাদ সমন্বিত তথ্য কোথাও পাওয়া যায় না। বাস্তবতা এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, বিদেশীদের মধ্যে কবে কার ভিসা শেষ হয়, কে কোথায় অবস্থান করছেন, কতদিন ধরে আছেন, কে কী করছেন তার কোনো কিছুই মনিটরিং করার ব্যবস্থাও নেই। আর বিদেশীদের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে এই যখন অবস্থা তখন সংশ্লিষ্ট অনেকেই আশংকা করছেন বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশী নাগরিকের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, বিনিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে শিল্প খাতে, ট্যুরিস্ট, শিক্ষা ও অনঅ্যারাইভালসহ বিভিন্ন ভিসায় বিদেশী এসব নগরিকরা বাংলাদেশে এসে থেকে গেছেন। যাদের বড় একটি অংশ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে এখানে অবস্থান করছেন। এদের বড় একটি অংশ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। আয়কর ফাঁকি দেয়াসহ চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর ঝামেলা এড়াতে বছরের পর বছর তারা ভিসা নবায়ন করছেন না। অনেকে আবার জড়িয়ে পড়েছেন প্রতারণাসহ ভয়ংকর সব অপরাধে। তবে উদ্বেগের বিষয় হল, অবৈধভাবে বসবাসকারী এসব বিদেশী নাগরিকদের বিষয়ে সরকারের তেমন কোনো মনিটরিং ব্যবস্থা নেই। এত করে একদিকে তারা নির্বিঘ্নে নিজেরা বড় বড় অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। অন্যদিকে আত্মরক্ষার জন্য স্থানীয় লোকজনকে তাদের অপকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত করছেন।
যার সর্বশেষ উদাহরণ হল এটিএম বুথ জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, এ কাজের প্রধান হোতা থমাস পিটার একজন বিদেশী নাগরিক। বুথের টাকা ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে এখানে অবৈধভাবে অবস্থান করে তিনি ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতিও করতেন। বর্তমানে ডিবির হাতে রিমান্ডে থাকা এ অপরাধীর সঙ্গে দেশী-বিদেশী একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত।
এর আগে গত বছর শেষদিকে মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে ঢাকা ও রংপুরে দু’জন বিদেশী নাগরিকও খুন হন। দেখা গেছে, রংপুরে খুন হওয়া জাপানি নাগরিক কুনিও হোশির বাংলাদেশে অবস্থানের বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য ছিল না। অথচ তিনি দীর্ঘদিন থেকে ওই এলাকায় বসবাস করছিলেন। কিন্তু এসব ঘটনার পরও বিদেশীদের অবস্থান চিহ্নিত করাসহ তাদের বিষয়ে সার্বিক তথ্য সংগ্রহে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতারকৃত পিটার। তাকে গ্রেফতার করার আগ পর্যন্ত পুলিশ তার বিষয়ে কিছুই জানত না।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক মঙ্গলবার বলেন, যেসব দেশের নাগরিকদের ভিসার মেয়াদ নেই তাদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অবৈধ বিদেশী নাগরিকদের বাংলাদেশে থেকে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর আগেও বিভিন্ন অপরাধে বিদেশীরা গ্রেফতার হয়েছেন। এটিএম বুথে টাকা লুটের ঘটনায়ও বিদেশী নাগরিকের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এ কারণে পুলিশকে বিদেশী নাগরিকদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর রাখতে বলা হয়েছে।
এদিকে বিলম্বে হলেও পুলিশের টনক নড়েছে। এটিএম কার্ড জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ার পর ১৮ ফেব্রুয়ারি সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে বিদেশী নাগরিকদের বিষয়ে ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়। এরপর পুলিশ সদর দফতর থেকে প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপার এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারকে জরুরি বার্তা দেয়া হয়। বলা হয়, বিদেশী নাগরিকদের অবস্থান সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করে এক মাসের মধ্যে সদর দফতরে পাঠাতে হবে।
এর আগে নভেম্বরে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, সারা দেশে বৈধভাবে ১১ হাজার ৯২৫ বিদেশী নাগরিক অবস্থান করছেন। তবে সেখানে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশীদের বিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান ছিল না। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়েও এর বেশি কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশের বিশেষ শাখার প্রধান (অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক) ড. জাভেদ পাটোয়ারী যুগান্তরকে বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, চীন, কোরিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন সময় ট্যুরিস্ট ভিসা, অনঅ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে এসে আর ফেরত যাননি। যাদের অনেকেই বাংলাদেশে চাকরি ও ব্যবসাসহ নানা পেশায় রয়েছেন। কর ফাঁকি দিতে তারা ভিসার মেয়াদ নবায়ন করছেন না। এছাড়া ভারত ও মিয়ানমার থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধপথেও অনেকে বাংলাদেশে এসে অবস্থান করছেন। বহু বছর ধরে এটা চলে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব বিদেশী নাগরিকদের ব্যাপারে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার মতো জনবল ইমিগ্রেশন শাখায় নেই। তারপরও অবৈধ এসব বিদেশীদের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।
বিনিয়োগ বোর্ডের সদস্য নাভাস চন্দ্র মণ্ডল মঙ্গলবার বলেন, তারা কোনো বিদেশী নাগরিক বা ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করেন না। এক্ষেত্রে কোনো প্রতিষ্ঠান আবেদন করলে যাচাই-বাছাই শেষে এক বছরের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করা হয়। এক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এনবিআর এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইনগত বিষয়, বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক লেনদেন এবং এনবিআর ইনকাম ট্যাক্সের বিষয়টি দেখে বলে তিনি জানান।
নাভাস চন্দ্র মণ্ডল বলেন, কারও চুক্তি বা ভিসার মেয়াদ শেষ হলে নতুন করে আবেদন করতে হয়। আবার নবায়ন না করতে চাইলেও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানোর নিয়ম রয়েছে। এর পরেও কেউ যদি অধৈভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করেন সেটা দেখার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।
বিনিয়োগ বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে শিল্প খাতে ৩ হাজার ৮০০ জন এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৪ হাজার বিদেশী নাগরিক অবস্থান করছেন।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ফরেন ডেস্কের এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ট্যুরিস্ট ভিসা ছাড়া আরও দুটি মাধ্যমে বিদেশীরা এ দেশে আসেন। এর মধ্যে বিনিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে শিল্প ও সেবা খাতে বিভিন্ন দেশের নাগরিক বাংলাদেশে এসে থাকেন। বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটি (বেপজা) ও নন গভর্নমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এনজিও ব্যুরো) মাধ্যমেও আসেন বিপুলসংখ্যক বিদেশী। ওই দুটি মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ হয় সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। শুধু ট্যুরিস্ট ভিসায় আসা বিদেশী নাগরিকদের মনিটরিং করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইমিগ্রেশন শাখা। ওই কর্মকর্তার ভাষায়, ভিন্ন ভিন্ন ডেস্ক পৃথকভাবে দায়িত্ব পালন করায় এবং সমন্বয় না থাকার কারণেই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশী নাগরিকদের সঠিক পরিসংখ্যান এবং তাদের ব্যাপারে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
গুলশানের কূটনৈতিক জোনে বসবাসরত বিদেশীদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ার্ক পারমিট কিংবা ভিসার মেয়াদ না থাকলেও বিদেশী নাগরিকদের কাগজপত্র দেখতে চাওয়ার ব্যাপারে উচ্চপর্যায় থেকে তাদের ওপর তেমন কোনো নির্দেশনা নেই। এ কারণে বিদেশীদের কাছে কাগজপত্র আছে কিনা সে বিষয়টি জানতেও ভয় পায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। হোটেলে অবস্থান কিংবা বাসা ভাড়া নেয়ার ক্ষেত্রে পাসপোর্ট জমা দেয়ার বিধান থাকলেও অধিকাংশ বিদেশী এসব আইন মানেন না। তিনি বলেন, এ কারণেই বিদেশীরা এখানে নির্বিঘ্নে অপরাধ করার সুযোগ পান। পুলিশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর কালেভদ্রে বিদেশীদের আটক করতে সক্ষম হয়। এতে করে এ সারির বিদেশীদের উপস্থিতি যত বাড়ছে বাংলাদেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ততটা হুমকির মুখে পড়ছে।
কেননা যারা অবৈধভাবে বছরের পর বছর বসবাস করছেন তাদের মধ্যে প্রতারক, জঙ্গি, সন্ত্রাসী ছাড়াও বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণকারী আরও বড় ধরনের নাশকতাকারী কেউ থাকতে পারেন। এমন আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না। ওই কর্মকর্তা বলেন, বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের বেপরোয়া চলাফেরার কারণে মাঝেমধ্যেই তাদের বিপাকে পড়তে হয়। গভীর রাতে বেসামাল অবস্থায় গাড়ি কিংবা রিকশায় তারা বেরিয়ে পড়েন রাজপথে। সারা রাত ঘুরেফিরে ঘরে ফিরছেন সকালে। এসব নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে গলদঘর্ম মহানগর পুলিশ। এছাড়া তারা অনেক সময় অশালীন আচরণও করেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোতে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যায়ে না।
এদিকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে বসবাসরত অন্তত ৭০০ বিদেশী নাগরিক বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে একটি গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিদেন দিয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাটি তাদের রিপোর্টে বলেছে, ক্যামেরুন, ঘানা, কঙ্গো, নাইজেরিয়া, আইভরি কোস্ট, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, ইথিওপিয়া, আলজেরিয়া, লাইবেরিয়াসহ আফ্রিকা মহাদেশের ১৬টি দেশের নাগরিকরা বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে এসে নানা অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশীদের মধ্যে বেশিরভাগ পর্যটন ভিসায় বাংলাদেশে এসে আর ফিরে যাননি। এদের বেশিরভাগেরই কোনো পাসপোর্ট নেই। তারা গুলশান, বনানী, উত্তরার মতো অভিজাত এলাকাগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বেছে নিয়ে বিদেশে লোক পাঠানো, বাংলাদেশে নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার আশ্বাস ও চাকরির প্রলোভন দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নানা প্রতারণা করছেন। অভিজাত এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন কেউ-কেউ। এসব অপরাধে এর আগে বেশ কিছু বিদেশী নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও র্যাব। তবে বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ না থাকায় তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরতও পাঠানো যাচ্ছে না। পাসপোর্ট না থাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আটকের পর তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করতে আসেন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ। তিনি ঘানার দুই নাগরিক সুজেতা ও রুহেলার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ইউরোপের কয়েকটি দেশে তার গার্মেন্টের মালামাল রফতানি করার কথা বলে ওই দু’জন পাঁচ হাজার ডলার হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান।
২০১৫ সালের জুলাইয়ে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২০ কেজি হেরোইনসহ গ্রেফতার করা হয় ভারতের তামিলনাড়ুর বাসিন্দা এলাম উরুগুকে। একই সময় ঢাকার উত্তরা থেকে কোটি টাকা মূল্যের এক কেজি হেরোইনসহ পুলিশ গ্রেফতার করে তাঞ্জানিয়ার নাগরিক মো. রাশেদ, কঙ্গোর নাগরিক জেমস, মঙ্গোলিয়ার নাগরিক চিচিকে। তারা ভিসা ছাড়াই বাংলাদেশে অবস্থান করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে ডলার জালিয়াতির অভিযোগে কেরানীগঞ্জের ডাকপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে কঙ্গোর দুই নাগরিক কামাঙ্গাবো নিবা জোসেফ ও ফাইলে ফলবো মিন্ডোলিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে গুলশানের একটি বাসা থেকে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন দেশের জাল ডলার উদ্ধার করা হয়।
তবে অল্প কিছুদিন কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন। চলতি মাসে গুলশান এলাকা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎকারী চক্রের সদস্য নাইজেরিয়ার নাগরিক ইজুচিউ ফ্রাংকিন, অবি হেছি ও ইক ফ্লিস্ককে গ্রেফতার করে র্যাব। অথচ তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে এক বছর আগে।


