জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মধ্যবর্তী নির্বাচন চেয়েছে বিএনপি। দলের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও তত্ত্বাবধান করতে পারে।
‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যত’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ মোয়াজ্জেম এ দাবি করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপিত মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক সংসদের সভাপতি চৌধুরী রাজীব হাসান রিপন প্রমুখ।
শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না। এটাকে ইলেকশন বলা যায় না। যে কারনে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে প্রায় সব কয়টিতে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করবে। এক্ষেত্রে হয়তো বিএনপি ৫ শতাংশ জয়লাভ করতে পারে। সরকারের অঙ্গসংগঠন হিসাবে কাজ করবে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ইত্যাদি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সঠিক নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ৫ শতাংশও পাবে না।
যুবদলের সভাপিত মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে যেখানে আওয়ামী লীগ ১৫৪টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে, সেখানে দলটির চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য কষ্ট করতে চাইবে কেনো। তাই অভিভাবকদের শিখিয়ে দেওয়া রীতিতে এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও কষ্ট ছাড়া আওয়ামী লীগ সমর্থকরা জয়লাভ করবে। অভিভাবকরা যেমন অবৈধভাবে জয়লাভ করেছে, শিষ্যরাও ইউনিয়ন নির্বাচনে একইভাবে জয়লাভ করবে।
আলাল আরো বলেন, বিএনপি সমর্থিত যারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভ করবে, তাদের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১৫ দিন থেকে ৩ মাস। তারপরই কলমের এক খোঁচায় তাদেরকে বহিষ্কার করা হবে। এবং সাথে দেওয়া হবে মামলা।


