বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি: অ্যাটর্নি জেনারেল

mahbube_jugantor_6302একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ড আপিল বিভাগ বহাল রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মঙ্গলবার সকালে রায়ের পর সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশিত রায় পেয়েছি। গোটা জাতি এই রায়ে সন্তুষ্ট।’

মাহবুবে আলম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন না করলে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা না থাকলে এদেশে কখনও যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্ভব ছিল না।

এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘অনেক প্রতীক্ষার পর আমরা প্রত্যাশিত রায় পেলাম। ফাঁসি বহাল থাকায় প্রসিকিউশনের সবাই খুশি।’

এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এক মিনিটে রায়ের সংক্ষিপ্তসারে মীর কাসেম আলীকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসি বহালের আদেশ দেন।

বেঞ্চের অপর সদস্যরা হচ্ছেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমান।

আপিল বিভাগ মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনা ১১ নম্বর অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন। ১১ নম্বর অভিযোগে বলা হয়, মীর কাসেমের পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে আলবদর বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে অপহরণ করে আন্দরকিল্লার ডালিম হোটেলে নিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যার পর তার এবং আরও ৫ জনের লাশ কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেয়া হয়।

তবে ট্রাইব্যুনাল মীর কাসেম আলীকে ১২ নম্বর অভিযোগে যে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন, আপিল বিভাগ সেই অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দিয়েছেন।

১২ নম্বর অভিযোগে বলা হয়, মীর কাসেমের পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে আলবদর বাহিনীর সদস্যরা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, রঞ্জিত দাস ওরফে লাঠুকে ও টুনটু সেন ওরফে রাজুকে অপহরণ করে ডালিম হোটেলে নিয়ে যায়। পরে জাহাঙ্গীরকে ছেড়ে দেয়া হলেও লাঠু ও রাজুকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলা হয়।

আরও পড়ুন