সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দ অনিয়মের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বন্দি অবস্থায় বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাস তার নামে থাকা তিনটি মামলাতেই জামিন পেলেন। ফলে তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে দাবি তার আইনজীবীর।
বুধবার বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলের নিষ্পত্তি করে মির্জা আব্বাসকে স্থায়ী জামিনের আদেশ দেন।
মির্জা আব্বাসের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন। মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
সগির হোসেন লিয়ন বলেন, আমার মক্কেলের নামে থাকা তিনটি মামলার মধ্যে নাশকতার দুটি মামলায় তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। আজ শাহবাগ থানায় দায়ের করা দুদকের মামলায় বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেছেন হাই কোর্ট । ফলে তার কারামুক্তিতে আপাতত বাধা নেই।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে মির্জা আব্বাস মন্ত্রী থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দ দিয়ে ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯০০ টাকা আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় মামলা করে দুদক।
মামলার এফআইআরে মির্জা আব্বাসের নাম ছিল না, কিন্তু পরে তদন্ত করে রিপোর্টে আব্বাসের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে জানান আইনজীবী সগির হোসেন লিয়ন।
গত ৬ জানুয়ারি এ মামলায় জামিন চাইতে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আব্বাস। বিচারক তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেন মির্জা আব্বাস।এতে মির্জা আব্বাসকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
বুধবার জামিন প্রশ্নে রুলের ওপর চূড়ান্ত শেষে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ আদেশ দেন। আদেশে রুল যথাযথ ঘোষণা করে মির্জা আব্বাসকে জামিন দেন আদালত।


