বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৪

hqdefault-jugantor_6494বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনে র‌্যাব ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা বনদস্যু নয়ন বাহিনীর প্রধান মনিরুল ইসলাম ও তার তিন সহযোগী বলে দাবি করেছে র‌্যাব। নিহত অপর তিনজন হলেন-বনদস্যু বাহিনীর উপ-প্রধান এনামুল এবং সহযোগী গিয়াস ও হাসান।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী দরজার খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় বনদস্যুদের ব্যবহৃত ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪শ’ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব ও কোস্টগার্ড।

র‌্যাব-৮ এর কমান্ডার ফরিদুল আলম ও কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোন কমান্ডার মেহেদী মাসুদ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সুন্দরবনের কচিখালী এলাকায় জেলেদের অপহরণের খবর পেয়ে টহল জোরদার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে সুন্দরবনের গহীনের দরজার খাল এলাকায় র‌্যাব ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা অভিযান শুরু করে। এসময় বনদস্যুরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বনের ভেতর থেকে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে র‌্যাব ও কোস্টগার্ডের যৌথ বাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে।

এক পর্যায়ে বনদস্যুরা পালিয়ে গেলে র‌্যাব ও কোস্টগার্ড ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে চার বনদস্যুর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে। এসময় বনের ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব আরো জানায়, নিহত চারজনের মধ্যে স্থানীয় জেলেরা একজনকে বনদস্যু নয়ন বাহিনীর প্রধান ও একজনকে উপ-প্রধান এবং বাকি দুজনকে সহযোগী বলে সনাক্ত করেন।

এর আগে গত জানুয়ারি মাসে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের চরাপুটির খাল এলাকায় র‌্যাব-৮ সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু মশিউর রহমান (৩৫) নিহত হয়।এসময় জলস্যুদের ব্যবহৃত ১১টি দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

তারও আগে গত ২৮ ডিসেম্বর সকালে সুন্দরবনের তাম্বলবুনিয়া এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জলদস্য কাশেম বাহিনীর প্রধান কাশেম ওরফে আকাশ ও তার সেকেন্ড ইন কমান্ড ফরিদ ম্যাইজা নিহত হয়। ওই সময়ে র‌্যাব বনদস্যুদের ব্যবহৃত ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছিল।

আরও পড়ুন