অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে নিষিদ্ধ হয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ ও বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে হতবাক পুরো বাংলাদেশ। তার চেয়ে বড় কথা, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে এমন ধাক্কা সামলে ওঠা কঠিনই মাশরাফিদের জন্য।
তাসকিনদের প্রতি ‘অবিচারের’ কথা বলতে বলতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন। রোববার বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলন জুড়ে তাঁর চোখ ছলছল করছিল। কথা বলার সময়ও গলা ধরে আসছিল। শেষে আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না মাশরাফি, কেঁদেই ফেললেন।
বিশেষ করে পেসার তাসকিন আহমেদকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না কেউই। চোখে পানি নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, তাসকিনের বোলিং অ্যাকশনে অবৈধ কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি, তা আইসিসির প্রতিবেদনে দেখা গেছে। শুধু তাঁর বাউন্সারেই নাকি সমস্যা ছিল। তারপরও তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটা তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়েছে। তাসকিনকে নিয়ে ন্যায়বিচার চেয়েছেন মাশরাফি। এ ব্যাপারে আইসিসির সঙ্গে বিসিবিকে কথা বলতে অনুরোধ করেছেন তিনি।
মাশরাফি বলেন, ‘আসলে এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার মতো নয়। তারপরও কাল (সোমবার) অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে আমরা নিজেদের সেরাটা নিংড়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।’
তাসকিনের অ্যাকশনের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর একটি বল অবৈধ প্রমাণিত হয়নি। সে ম্যাচে একটিও বাউন্সার দেয়নি সে। অথচ বোলিং পরীক্ষায় তাঁকে তিন মিনিটের মধ্যে নয়টি বাউন্সার করতে বলা হয়েছে, যেখানে ৩টি বল শুধু ১৫ ডিগ্রির সীমা ছাড়িয়েছে।’


