ত্রুটিপূর্ণ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে নিষিদ্ধ হয়েছেন বাংলদেশি পেসার তাসকিন আহমেদ ও বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি। শনিবারই আইসিসি এই খবরটি প্রকাশ করে। অবশ্য তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আইনি পরামর্শক ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান আইসিসির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন।
সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, তাসকিন পুরোপুরি ষড়যন্ত্রের শিকার। তাছাড়া আইসিসিও এই সিদ্ধান্ত দিতে গিয়ে নিজেদের গঠনতন্ত্রের নিয়ম ভেঙেছে।
পরীক্ষার ফলাফল দেখে মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, তাসকিনের স্টক ডেলিভারি ও ইয়র্কারে কোন সমস্যা পায়নি আইসিসি। কিন্তু বাউন্সারে সমস্যা পাওয়া গেছে।
সন্দেহের সৃষ্টি হয় তাসকিনের বাউন্সার পরীক্ষা নিয়েই। কারন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচে তাসকিন আহমেদের করা চার ওভারে কোন বাউন্সার ছিল না। সেই ম্যাচের দুই আম্পায়ার ভারতের এস রবি ও অস্ট্রেলিয়ার রড টাকার তাসকিনের স্টক ও ইয়র্কার নিয়ে প্রশ্ন তুললেও পরীক্ষায় ইতিবাচক ফলাফল আসে।
সুতরাং পরীক্ষাগারে তাসকিনের বাউন্সারের পরীক্ষা নেওয়ার কথা না। কিন্তু চেন্নাইয়ের আইসিসি অনুমোদিত ল্যাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ টি বাউন্সার করতে বলা হয় তাসকিনকে। যার মধ্যে তিনটি অবৈধ প্রমানিত হয়।
আইসিসির ২.২.১৩ ধারার নিয়ম অনুযায়ী কোন বোলারের নির্দিষ্ট কোন ডেলিভারি কিংবা স্টক ডেলিভারিতে সমস্যা থাকলে সেই বোলারকে সতর্ক করে দেওয়ার নিয়ম আছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেই বোলার খেলতে পারবে।
অথচ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচে তাসকিন একটিও বাউন্সার করেননি। কিন্তু তারপরও তাঁকে সতর্ক না করে নিয়ম ভঙ্গ করে তাসকিনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
তাই তাসকিন একরকম ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন তিনি। এই কারণে বিসিবিকে বিষয়টি পর্যালোচনা করারও পরমর্শ দেন তিনি।


