সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের নাঙলি ক্যাম্প এলাকার আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এদিকে আগুন লাগার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বনবিভাগ।
সোমবার দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সাইদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এই কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে আগুন লাগার কারণ ও আগুনে বনজ সম্পদের কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা চূড়ান্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) বেলায়েত হোসেনকে প্রধান করে ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, চাঁদপাইরেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা গাজী মতিয়ার রহমান এবং ধানসাগর স্টেশন কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বনে আগুন লাগার ঘটনা তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুন্দবনের যে এলাকায় আগুন লেগেছে সেখানে তেমন কোন মূল্যবান গাছপালা নেই। আগুন এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তিনি বলেন, গ্রীষ্ম মৌসুমে বনে থাকা গাছপালার পাতা পড়ে এক ধরনের মিথেন গ্যাস তৈরি হয়। অনেক সময় মিথেন গ্যাস থেকেও আগুন ধরতে পারে। তবে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহে আসা মৌয়ালরা অসাবধনতাবশত ফেলে দেওয়া বিড়ি সিগারেট বা মশালের আগুন থেকে এই আগুন লাগতে পারে।
ধানসাগর স্টেশনের ফরেস্টার সুলতান মাহমুদ বলেন, রোববার সন্ধ্যায় বনকর্মীরা আগুনের ধোঁয়া দেখতে পায়। বনকর্মীরা সেখানে গিয়ে পানি ছিটিয়ে আগুন নেভায়। কিন্তু সোমবার সকালে সেখান থেকে আবারো ধোঁয়া উড়তে থাকে। সকালে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটকে বনবিভাগ আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।


